COVID-19 at Mumbai Naval Base: মুম্বইয়ে ২০ জন নৌসেনা কর্মীর শরীরে মিলল করোনাভাইরাস, সকলকে পাঠানো হলো কোয়ারান্টিনে
মুম্বই (Mumbai) নৌঘাঁটিতে (Naval Base) ২০ জন নৌসেনা কর্মীর শরীরে মিলল করোনা পজিটিভ। করোনার প্রথম কেসটি ধরা পড়ে আইএনএস অ্যাংগ্রি বেসে গত এপ্রিলের ৭ তারিখ। তাঁর সংস্পর্শে আসা সকলের করোনা টেস্ট করা হয়। আইএনএস অ্যাংগ্রি হ'ল সমুদ্রতীরভিত্তিক লজিস্টিক এবং উপকূল ভিত্তিক পশ্চিমা নৌ কমান্ডের সমর্থন প্রতিষ্ঠা। সমস্ত ২০ জন নাবিককে কোলাবার আইএনএইচএস অশ্বিনীতে স্থানান্তরিত করে কোয়ারান্টিন করা হয়।
মুম্বই, ১৮ এপ্রিল: মুম্বই (Mumbai) নৌঘাঁটিতে (Naval Base) ২০ জন নৌসেনা কর্মীর শরীরে মিলল করোনা পজিটিভ। করোনার প্রথম কেসটি ধরা পড়ে আইএনএস অ্যাংগ্রি বেসে গত এপ্রিলের ৭ তারিখ। তাঁর সংস্পর্শে আসা সকলের করোনা টেস্ট করা হয়। আইএনএস অ্যাংগ্রি (INS Angre base) হ'ল সমুদ্রতীরভিত্তিক লজিস্টিক এবং উপকূল ভিত্তিক পশ্চিমা নৌ কমান্ডের সমর্থন প্রতিষ্ঠা। সমস্ত ২০ জন নাবিককে কোলাবার আইএনএইচএস অশ্বিনীতে স্থানান্তরিত করে কোয়ারান্টিন করা হয়।
তাঁরা আইএনএস অ্যাংগ্রিতে একই ব্লকে অবস্থান করেছিল এবং জানান একজন নৌবাহিনী কর্মকর্তা আক্রান্ত হয়েছেন যারা এক সপ্তাহ আগে ইতিবাচক পরীক্ষা করেছিলেন। দেশে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩ হাজার ৮৩৫। আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক (Health and Family Welfare) জানিয়েছে, ১১ হাজার ৬১৬ জনের বর্তমানে চিকিৎসা চলছে। দেশে সুস্থ হয়েছেন ১৭৬৬ জন। মৃতের সংখ্যা ৪৫২। গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ২৫২ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। আরও পড়ুন, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৩৮৩৫, মৃত ৪৫২
20 Navy personnel have tested positive for #COVID19 at a naval base in Mumbai. The first case was reported on April 7 at the INS Angre base there. All other persons who came in contact with these affected personnel have also been tested: Navy officials
— ANI (@ANI) April 18, 2020
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি লব আগরওয়াল (Lav Agarwal) বলেন, ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কম। নাহলে এখন যা আক্রান্ত তার দ্বিগুণ হয়ে যেত। লব আগরওয়াল বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতর যে শতকরা হিসেব ভারতে রয়েছে, তা অন্যান্য করোনা বিধ্বস্ত দেশগুলির তুলনায় অনেকটাই কম। লকডাউনের আগে তিনদিনেই আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছিল। তবে লকডাউনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুন হতে ৬ দিনেরও বেশি সময় লাগছে। জাতীয় স্তরে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণের তুলনায় কম রয়েছে ১৯ রাজ্য ও কেন্দ্রশসিত অঞ্চলে।
এই তালিকায় পড়ে কেরালা, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, চন্ডীগড়, লাদাখ, পুদুচেরি, দিল্লি, বিহার, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, ইউপি, পাঞ্জাব, আসাম এবং ত্রিপুরার। মন্ত্রকের তথ্যানুসারে, দেশে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্ত ও মৃত ৮০:২০ তে অবস্থান করছে। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় রয়েছে সরকার।
(The above story first appeared on LatestLY on Apr 18, 2020 08:41 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

