Bappi Lahiri Passes Away: 'ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড', শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছিলেন বাপ্পি লাহিড়ি
Bappi Lahiri's Last Instagram Post (Photo; Instagram

মুম্বই, ১৬ ফেব্রুয়ারি: গতরাতে প্রয়াত হয়েছেন গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ি (Bappi Lahiri)। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীত জগতে। কয়েকদিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন ভারতরত্ন লতা মঙ্গেশকর। ৬ ফেব্রুয়ারি ছোটবেলায় লতা মঙ্গেশকরের (Lata Mangeshkar) কোলে বসা একটি সাদা-কালো ছবি ইনস্টাগ্রামে (Instagram) পোস্ট করেছিলেন বাপ্পি লাহিড়ি। তিনি লিখেছিলেন, "মা"। এরপর সোমবার তাঁর শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ছিল নিজের একটি সাদা-কালো ছবি। তিনি এই ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, "ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড।" এটিই তাঁর শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। তাঁর প্রয়াণের খবর পাওয়ার পর থেকে সেই পোস্টেই শোকপ্রকাশ করছেন নেটিজেনরা।

গতকাল রাত পৌনে ১২টা নাগাদ জুহুর ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে জীবনাবসান হয় বাপ্পি লাহিড়ির। হাসপাতালের পরিচালক দীপক নামজোশি সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেছেন, "বাপ্পি লাহিড়ি অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং বুকে সংক্রমণে ভুগছিলেন।এক মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং সোমবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হয় ও তাঁকে ফের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর একাধিক সমস্যা ছিল। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে রাত ১১টা ৪৫ নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।" আরও পড়ুন: Bappi Lahiri Passes Away: প্রয়াত গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ি

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Bappi Lahiri (@bappilahiri_official_)

 

১৯৫২ সালের ২৭ নভেম্বর জলপাইগুড়িতে জন্ম বাপ্পি লাহিড়ির। তাঁর বাবা অপরেশ লাহিড়ি ও মা বাঁশরী লাহিড়ি গানের জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিংবদন্তি কিশোর কুমারের আত্মীয় বাপ্পি ছোট থেকেই গানের পরিবেশে বড় হয়েছেন। ১৯৭০ থেকে ৮০-এর দশকে হিন্দি ছায়াছবির জগতে অন্যতম জনপ্রিয় নাম বাপি লাহিড়ি। ‘ডিস্কো ডান্সার’, ‘চলতে চলতে’, ‘শরাবি’-তে সুর দিয়েছেন। গেয়েছেন একাধিক গান। ২০২০ সালে তাঁর শেষ গান ‘বাগি থ্রি’-র জন্য। এছাড়াও অনেক বাংলা সিনেমায় তিনি সুর দিয়েছেন। তাঁর সুর করা অন্যতম জনপ্রিয় গানগুলি হচ্ছে-'অমর সঙ্গী', 'চিরদিনই তুমি যে আমার', 'গুরুদক্ষিণা'। ২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন বাপ্পি লাহিড়ি। শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েন। যদিও তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি।