Humaira Asghar Ali (Photo Credit: Instagram)

দিল্লি, ১০ জুলাই: হুমাইরা অসগর আলি (Humaira Asghar Ali) নামে পাকিস্তানের (Pakistani actor) এক অভিনেত্রীর মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। হুমাইরা অসগর আলির মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ আপাতত টক্সিকোলজি এবং ফরেন্সিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। হুমাইরার মৃতদেহে পচন ধরেছিল। ফলে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্টে কোনওকিছুই সামনে আসবে না। তার জেরেই পুলিশ টক্সিকোলজি এবং ফরেন্সিক রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।

পুলিশ মনে করছে, হুমাইরা অসগর আলির মৃত্যু ২০২৪ সালের শেষ দিকে হয়েছে। তিনি যে ভাড়ার বাড়িতে থাকতেন, সেখানকার সমস্ত জানলা, দরজা আটকানো ছিল। আশপাশে প্রতিবেশীও নেই। সেই কারণে কোনও কটূ গন্ধ কারও নাকে লাগেনি।

পুলিশের কথায়, হুমাইরা যে ঘরে থাকতেন, সেখানকার ফ্রিজে ২০২৪ সালের খাবারদাবার মজুদ রয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর মোবাইলে শেষ ফোনও ঢোকে ২০২৪ সালের অক্টোবরে। যা তাঁর স্টাইলিস্ট তাঁকে করেছিলেন। হুমাইরার শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্টও ২০২৪ সালের শেষে। ফলে হুমাইরা অসগর আলির মৃত্যু যে ২০২৪ সালের শেষদিকেই হয়েছিল, তার প্রমাণ বিভিন্নভাবে পুলিশের হাতে এসেছে।

আরও পড়ুন: Actress Shocking Death: ঘর থেকে উদ্ধার অভিনেত্রীর গলন্ত মৃতদেহ, রহস্যের মোড়কে সূত্র খুঁজছে পুলিশ

তবে হুমাইরার মৃত্যুর ( Actress Shocking Death) খবর তাঁর বাড়িতে দিলে, বাবা মেয়েরে শেষকৃত্যের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। তিনি হুমাইরার শেষ যাত্রার কোনও ভার বহন করবেন না বলে স্পষ্ট জানান। প্রসঙ্গত হুমাইরার বাবা সেনা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন চিকিৎসক। তবে হুমাইরার জামাইবাবু এগিয়ে এসেছেন। শ্যালিকার শেষকৃত্যের জন্যও তিনি রাজি। যদিও সিন্ধের শিল্পী অ্যাসোসিয়েশনের তরফে হুমাইরার শেষকৃত্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

কী কারণে হুমাইরা অসগর আলির বাবা মেয়ের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করেন, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

হুমাইরা করাচির যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, সেখানেকার মালিকের দাবি, তাঁর ভাড়াটিয়া গত কয়েক মাস ধরে টাকা দিচ্ছিলেন না ভাড়ার। ফলে ২০২৪ সালের শেষের দিকে বিদ্যুতের লাইনও হুমাইরার ঘর থেকে কেটে দেওয়া হয়। এমন প্রমাণ পুলিশের হাতে এসেছে। সেই সঙ্গে গত ৭  বছর ধরে ৩২ বছরের হুামইরাকে তেমন কোনও অনুষ্ঠানে দেখা যেত না বিনোদন জগতের। নিজের কাজের মধ্যেই ডুবে থাকতেন তিনি।  ফলে অভিনেতা, অভিনেত্রীদের কোনও অনুষ্ঠানে হুমাইরা অসগর আলির দেখা মিলত না বলেও জানাতে পেরেছে পুলিশ প্রশাসন।