US Embassy In Baghdad: এখনই ইরাক ছাড়ুন, কাসেম সোলেইমানি-র হত্যাকাণ্ডের পর স্বদেশীয়দের নির্দেশ বাগাদাদের মার্কিন দূতাবাসের
মার্কিন দূতাবাস(File Photo)

ওয়াশিংটন/তেহরান, ৩ জানুয়ারি: বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ সকালে মার্কিন বিমান হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সেনা প্রধান কাসেম সোলেইমানির। এরপরই ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। এই ঘটনার পরেই শঙ্কিত মার্কিন মুলুক। ইরাকে বসবাসকারী মার্কিনিদের খুব শিগগির দেশে ফিরে আসার নির্দেশিকা জারি হয়েছি। বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তরফে সেদেশে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের স্বদেশে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনও রকম হামলা ও প্রাণহানি এড়াতেই য়ে এই বন্দোবস্ত তা ভালই বোঝা যাচ্ছে। একই সঙ্গে দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, এই সময় মার্কিন নাগরিকদের কেউই যেন মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দেশে বেড়াতে না যায়।

সংবা সংস্থা রয়টারের রিপোর্ট বলছে, এক বিবৃতি জারি করে দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে। যেকোনও ভাবে বিমান যোগে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইরাকে বসবাসকারী ঘুরতে যাওয়া মার্কিন নাগরিকরা দেশে ফিরে আসুন। যদি সরাসরি দেশে ফেরার বিমান না থাকে তাহলেও যেন সেখানে দেরি না করেন। কানেক্টিং ফ্লাইট ধরে অন্য দেশে গিয়ে সেখান থেকে মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রে ফিরুন সত্ত্বর। এদিকে শুক্রবার সাতসকালে বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন এয়ার স্টাইক হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সেনাপ্রধান কাসেম সোলেইমানির। এই হত্যার খবরের পরই সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তেহরান। তিনি বর্তমানে ইরানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ইরানের দাবি, ISIS-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোলেইমানি। এদিকে, তাঁর মৃত্যুর পর রাস্তায় বেরিয়ে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসের ভিডিও শেয়ার করেছেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও। এবার পালটা হুংকার তেহরানের। আরও  পড়ুন-Iran President Hassan Rouhani: 'সোলেইমানির হত্যার বদলা নেব', আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানির

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানির (Iran President Hassan Rouhani) হুমকি, এই “আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে'র ‘ফল ভুগতে’ হবে আমেরিকাকে। প্রেসিডেন্ট রৌহানির আরও হুমকি, শুধু ইরান নয়, ওয়াশিংটনকে জব্দ করবে এই অঞ্চলের স্বাধীন দেশগুলিও।” হামলায় নিহত হয়েছেন পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (Popular Mobilization Forces) নামে পরিচিত ইরান সমর্থিত একটি সংগঠনের উপ কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসরও (Abu Mahdi al-Muhandis)। ইরাকি আধা সামরিক বাহিনী হাশদ শাবি জানিয়েছে, বিমান হামলায় তাদের পাঁচ সদস্য এবং দু'জন অন্য ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) নির্দেশেই এই হামলা চালিয়েছে অ্যামেরিকার সেনা।