Bangladesh Air Force Jet Crashed: সোমবার দুপুরে ঢাকার উত্তরা (Uttara)-র এক স্কুলের ওপর ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের বায়ুসেনার প্রশিক্ষণরত এফ-৭ যুদ্ধবিমান (A China-made F-7 training jet )। অগ্নিদগ্ধ হয়ে বহু ছাত্র হাসপাতালে মৃত্য়ুর সঙ্গে লড়াই করছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা অন্যতম বড় বিপর্যয়। এখনও পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্য়ুর খবর পাওয়া গিয়েছে, জখম ২০০-র কাছাকাছি। টেক অফের মিনিট ২০ পরেই বিধ্বস্ত হয়ে যায় বিমানটি ( Bangladeshi Air Force Training Jet Crashed)। বাংলাদেশে বায়ুসেনার যে বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ল তা চিনের তৈরি। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, এই বিমান দুর্ঘটনার পিছনে কারণ কী? খুব স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নের উত্তর এখন জানা সম্ভব নয়। প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনই দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা কঠিন। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, জেট বিমানটির পাইলট লেফটেন্যান্ট তৌকির এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমানটিতে জনবিরল এলাকায় নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তিনি সফল হননি। বিমানটির পাইলট মারা গিয়েছেন।
এক নজরে দেখে নেওয়া বাংলাদেশে চিনে নির্মিত কী ধরনের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়--
বাংলাদেশ বায়ুসেনাতে ব্যবহৃত হওয় এফ-৭ প্রশিক্ষণ জেটগুলি মূলত চিনে নির্মিত যুদ্ধবিমান। দ্বৈত আসনের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত যুদ্ধ বিমানগুলির পোশাকি নাম 'এফটি-৭বিজি' (FT-7BG) ও 'এফটি-৭বিজিআই' (FT-7BGI)। এগুলি চিনের চেংদু এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন (Chengdu Aircraft Corporation) তৈরি করে। এটি চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান নির্মাতা সংস্থা এভিক (AVIC)-এর অধীনে পরিচালিত। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কম খরচে কার্যকর জেট প্রশিক্ষণের বিষয়ে চিনের তৈরি FT-7 যুদ্ধবিমানের সিরিজ এখনো বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলির কাছে একটি সঠিক সমাধান। চিনের তৈরি যুদ্ধবিমানে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পাইলটেরা উচ্চগতির জেট ফ্লাইট, রাডার অপারেশন, আকাশযুদ্ধ কৌশল ইত্যাদি বিষয়ে প্র্যাকটিকাল প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রস্তুত হন দেশের আকাশসীমা রক্ষায়।
দেখুন ছবিতে
At least 19 killed after Bangladesh Air Force training jet crashes into a Dhaka school https://t.co/fSTVekqVtA pic.twitter.com/kndMjPVU7B
— New York Post (@nypost) July 21, 2025
কী দিয়ে তৈরি, কী কী আছে
এই প্রশিক্ষণ বিমানগুলো মূলত চীনা জে-৭ (J-7) প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে তৈরি—যা আবার সোভিয়েত ইউনিয়নের মিগ-২১ যুদ্ধবিমানের লাইসেন্সকৃত সংস্করণ। বাংলাদেশ ২০০০-এর দশকে এই প্রশিক্ষণ জেটগুলি সংগ্রহ করে, এফ-৭বিজি যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি। এই ধরনের যুদ্ধবিমানগুলোর ককপিট ডিজাইন, রাডার, ও মাল্টি-ফাংশন ডিসপ্লেগুলি মূল যুদ্ধবিমানের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাইলটেরা সরাসরি অপারেশনাল যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য প্রস্তুত হতে পারেন।