Christina Koch Returned To Earth: ৩২৮ দিন মহাকাশে, রেকর্ড গড়ে পৃথিবীতে ফিরলেন নাসার মহিলা মহাকাশচারী ক্রিশ্চিয়ানা কোচ
ক্রিশ্চিয়ানা কোচ (Photo Credit: Twitter)

কাজাখস্তান, ৭ ফেব্রুয়ারি: ৩২৮ দিন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে কাটানোর পর পৃথিবীর মাটিতে পা রাখলেন মার্কিন মহাকাশচারী ক্রিশ্চিয়ানা কোচ (Christina Koch)। কাজাখস্তানের ল্যান্ডিং সাইটে হাসিমুখে ক্রিশ্চিয়ানাকে দেকা গেল বৃহস্পতিবার। সঙ্গে ছিলেন ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির নুকা পারমিটানো এবং রাশিয়ান স্পেস এজেন্সির আলেকজান্দার সোভোস্তভ। তিনজনে একসঙ্গে ৯.১২ জিএমটি-তে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। গত ২০১৯-এর ১৪ মার্চ পৃথিবীর মাটি ছেড়ে মহাকাশের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশচারী ক্রিশ্চিয়ানা কোচ। পৃথিবীর মাটি ছোঁয়ার পর অনেকটা সময় ধরে হাসিমুখেই স্পেস শাটলের মধ্যে বসেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানা। নিজেই বলেন, “এখন আমি একই সঙ্গে খুব খুশি এবং অভিভূত।” ততক্ষণে চেয়ারে উঠে হাতের মুঠোয় বাতাস ভরে উত্তেজনা প্রকাশে ব্যস্ত পারমিটানো। সোভোস্তেভ তো কোনও দিকে না তাকিয়ে আগেভাগে আপেলে কামড় দিলেন।

ইতিমধ্যেই টুইটবার্তায় ক্রিশ্চিয়ানাকে অভিন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর জন্য গোটা আমেরিকা গর্বিত বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। কাজাখস্তানের স্থানীয় বাসিন্দারা ঘোড়ার পিঠে করে তিন মহাকাশচারীর পৃথিবীতে ফেরা চাক্ষুস করতে আসেন। এই ঘটনায় রীতিমতো অবাক নাসার ধারা ভাষ্যকার রবি নাভিয়াস। তিনি বলেন, “আমি কখনও এমনটা দেখিনি।” বছর ৪১-এর ক্রিশ্চিয়ানা কোচ তিনি পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়র। মার্কিন মুলুকের মিশিগানে জন্ম কর্ম সবকিছুই। গত অক্টোবরেই প্রথম মহিলা হিসেবে নাসার সহযোগী জেসিকা মেয়ারের সঙ্গে মহাকাশে হেঁটেছেন ক্রিশ্চিয়ানা। প্রাথমিকভাবে মহাকাসে হাঁটার উদ্যোগ স্থগিত হয়ে যায়। কেনান মহাকাশ স্টেশনে মহিলাদের উপযোগী দুটি স্যুট ছিল না। এনিয়ে লিঙ্গবৈষম্যের অভিযোগও উঠেছে। প্রায় সাড়ে তিনঘণ্টা যাত্রাপথের পর মাটিতে পা রেখে ক্রিশ্চিয়ানা সাংবাদিকদের বলেছেন যে তিনি এবার মাইক্রোগ্রাভিটি মিস করবেন। আরও পড়ুন-Doctor Li Wenliang Died: তিনিই প্রথম সতর্ক করেন, করোনার থাবায় থামলেন উহানের হিরো চিকিৎসক লি ওয়েনলিয়াং

কাজাখস্তান থেকে কারগান্ডা শহর হয়ে জার্মানির কোলন। তারপর হিউস্টনে নাসার সদর দপ্তরে পৌঁছাবেন ক্রিশ্চিয়ানা কোচ। সেখানেই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে। ক্রিশ্চিয়ানার চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য নাসার কাছে অত্যন্ত জরুরি। কেননা মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি মঙ্গল অভিযানে মানুষ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটি দীর্ঘ অভিযান হতে চলেছে।