রাতারাতি নেপাল (Nepal) সরকার ব্যান করে দিয়েছে ২৬টি সোশাল মিডিয়া অ্যাপ। যার মধ্যে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম রয়েছে। নেপাল প্রশাসনের দাবি, এই সমস্ত অ্যাপগুলি সরকারিভাবে নথিবদ্ধ নয়। নথিবদ্ধ করার জন্য আগে ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে তারমধ্যে কোনও অ্যাপেরই কর্তৃপক্ষ সরকারি নির্দেশে সাড়া দেয়নি। সেই কারণে অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার হুশিয়ারি দিয়েছে সরকার। এদিকে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে বহু মানুষ।

প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে সাংবাদিকরা

রবিবার কাঠমান্ডুর রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছেন সাংবাদিক মহল। ফেডারেশন অফ নেপালি জার্নালিস্টসের সম্মিলিতভাবে ব্যান হটানোর দাবি করে। যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন সাংবাদিক এবং বর্তমান সাংবাদিকরাদের একাংশ। সংগঠনের এক সদস্যের দাবি, “সরকার জনগণ, সংবাদমাধ্যমের কন্ঠ রোধ করার চেষ্টা করছেন। সংবাদমাধ্যমেরল ক্ষেত্রে খবর আদানপ্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্লাটফর্ম। এছাড়া সোশাল মিডিয়া থেকেও সংবাদ পাওয়া যায়। তাই সেই মাধ্যমগুলি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে”।

নিষিদ্ধ হয়নি বেশ কয়েকটি অ্যাপ

আগামীদিনে দেশের জেন-জি যুবক-যুবতিদের একটি সংগঠনও সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় নামার হুঁণিয়ারি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রবিবার থেকে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সরকার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, রেডিট, লিঙ্কটইন, স্ন্যাপচ্যাপের মতো ২৬টি দেশীয়, বিদেশি জনপ্রিয় অ্যাপ ব্যান করে দেয়। তবে টিকটক, টেলিগ্রাম, নিম্বুজের মতো অ্যাপগুলিকে নিষিদ্ধ করেনি সরকার।