Nimisha Priya: আগামী বুধবার ১৬ জুলাই ভারতের কেরলের নার্স (Kerala Nurse) নিমিশা প্রিয়ার ফাঁসি কার্যকর হতে চলেছে। ৮ বছর পুরনো এক খুনের মামলায় কেরালার পালাক্কাড় জেলার বাসিন্দা ৩৭ বছরের নিমিশার মৃত্য়ুদণ্ড হতে চলেছে। ২০১৭ সালে সে দেশের নাগরিক তালাল আবদো মাহদির হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন কেরলের এই নার্স। তিনি সানা শহরের একটি ক্লিনিকে তালালের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতেন। অভিযোগ ওঠে, নিমিশা তার সহযোগী তালালের কাছ থেকে নিজের পাসপোর্ট ফেরত পেতে তাকে ঘুমের ওষুধের ইনজেকশন দেন। কিন্তু ডোজের অতিরিক্ত মাত্রার কারণে তালালের মৃত্যু হয়। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে নিমিষা ও তার সহকর্মী হানান মৃত তালালের দেহ টুকরো করে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
নিমিশার পরিবারের কী দাবি
২০২০ সালে সানার একটি ট্রায়াল কোর্ট তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তিন বছর পর ইয়ামেনের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল নিশ্চিত করে। নিমিশার পরিবারের দাবি, তিনি নির্দোষ, পুরোটাই পরিস্থিতি আর অনেকটাই সাজানো ঘটনা।
ইয়েমেনে ফাঁসি ভারতীয় নার্সের
Indian nurse Nimisha Priya, sentenced to death in Yemen, to be executed on July 16: Reporthttps://t.co/jZHd5TaQTE
— Hindustan Times (@htTweets) July 8, 2025
১ মিলিয়ন ডলার পেলে মুক্তি!
নিমিশা-র মা প্রেমা কুমারী গত এপ্রিল থেকে সে দেশে রয়েছেন। তালালের পরিবারের কাছে তার মেয়ের প্রাণের ক্ষমা ভিক্ষা ও 'ব্লাড মানি'-র মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড রদের চেষ্টা করছেন। তালালের পরিবার এক মিলিয়ন ডলার দাবি করেছে। ‘সেভ নিমিষা প্রিয়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকশন কাউন্সিল’ এ পর্যন্ত ৪০,০০০ ডলার সংগ্রহ করেছে। সমাজকর্মী স্যামুয়েল জেরোম, যিনি প্রেমার পক্ষে পক্ষ লড়ছেন, তাঁর দাবি, এখান থেকে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ এখনও নিমিশার ফাঁসি রদ করতে পারে।
কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক
ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই বিষয়ে জানিয়েছে, তারা নিমিশার পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা করছে। তবে ইয়ামেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত সানায় আইনি প্রক্রিয়া জটিল, এবং দীর্ঘ। এদিকে, নিমিশার ফাঁসির সময় এগিয়ে আসছে। নিমিষার পরিবার এখনও আশা ছাড়েননি। শেষ পর্যায়ে ভারত সরকার তাঁর মেয়েকে বাঁচাবে সেই আশায় পরিবার।