গালওয়ানে লাল ফৌজের হামলার পর দুরত্ব বেড়েছিল অনেকটা। অবশেষে সেই দুরত্ব কমতে চলেছে ভারত-চিনের মধ্যে। সৌজন্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ কয়েকমাস আগে চিনের সঙ্গেও একইভাবে শুল্কযুদ্ধ শুরু করেছিল আমেরিকা। সেই সময় পাল্টা চোখ রাঙিয়েছিলেন শি জিনপিং। ফলে ভারত, রাশিয়া, চিন যদি এক জায়গায় চলে আসে. তাহলে ঘুম উড়বে আমেরিকার। আর সেটা বুঝতে পেরেই চলতি মাসে চিন সফরে যেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। সূত্রের খবর, আগামী ২৯ অগাস্ট জাপান সফরে যাবেন তিনি।
অগাস্টের শেষেই চিন যাচ্ছেন মোদী
সেখান থেকে ফেরার পথে সাংঘাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেনশনের (এসসিও) বৈঠকে যোগ দিতে চিনে যাবেন মোদী। জানা যাচ্ছে, আগামী ৩১ অগাস্ট তিয়ানজিন শহরে যাবেন তিনি। তারপর ১ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন মোদী। ইতিমধ্যেই মোদীর যোগদানের কথা নিশ্চিত করেছে চিন সরকার। এই সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নত হবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
পুতিনের ভারত সফর
প্রসঙ্গত, আমেরিকা যেভাবে শুল্কযুদ্ধ শুরু করেছে ভারতের সঙ্গে, তার থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট যে ট্রাম্প কখনই ভরসার পাত্র নয়। আর ভারত-আমেরিকার মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ রাশিয়া। যদিও ট্রাম্পের কাছে মাখা নত করা হবে না বলে আগেই বার্তা দিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। এরমাঝেই চলতি মাসে ভ্লাদিমির পুতিন আসতে চলেছে ভারতে। সবমিলিয়ে তিনদেশ একসঙ্গে হওয়া আমেরিকার কাছে বিপদ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।