রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। আরজি কর হাসপাতাল থেকে কসবা ল’ কলেজ, এবার দুর্গাপুরের এক বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসের বাইরে ঘটল গণধর্ষণের ঘটনা (Durgapur Gang Rape Case)। অন্যদিকে রাজগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগও উঠছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন এই রাজ্যে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে চলেছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে বিরোধীরা। অন্যদিকে শাসক শিবির কার্যত মুথে কুলুপ এঁটেছে। কোনও কোনও নেতানেত্রীর যুক্তি, এই নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। কেউ আবার বিজেপি শাসিত রাজ্যকে উদাহরণ টেনে প্রসঙ্গ এড়ানোর চেষ্টা করছে।
রাজ্য প্রশাসনের সমালোচনায় শুভেন্দু
এই অবস্থায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ দিলেন। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের জমা করেই খরচ করে দেওয়া উচিত। শুভেন্দু আরও বলেন, রাজ্যের একের পর এক এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়ে নীরব। তিনি কোনও মন্তব্য করছেন না। রাজ্যের পুলিশ শুধু মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর ভাইপোকে সুরক্ষা দেওয়া ও বিরোধীদের মুখ বন্ধ রাখার জন্যই আছে। সেই কারণেই রাজ্যের মহিলারা আজ সুরক্ষিত নন।
দুর্গাপুর ধর্ষণকাণ্ড
প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরের ঘটনার ২৪ ঘন্টা পেরোতে চলেছে, কিন্তু এখনও অধরা অভিযুক্তরা। নির্যাতিতা বর্তমানে হাসপাতালে। অন্যদিকে তাঁর সহপাঠীর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। অন্যদিকে, এই ঘটনার পর স্থানীয় থানা ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতৃত্ব।