পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। তারপরেও মালদার শেল্টার হোমে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর, সুতি, ধুলিয়ান এলাকার বাস্তুচ্যুতরা। সেখানেই কোনওমতে দিন কাটছে তাঁরা। তবে তাঁরা আদৌ কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন, আদৌ তাঁদের ঘরবাড়ি সুরক্ষিত রয়েছে কিনা, সেটা নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারছেন। এদিকে রবিবার থেকেই ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলিতে টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। তারপরেও এখনও বেশিরভাগ এলাকা রয়েছে থমথমে। অনেকেই এখনও আতঙ্কে বাইরে বেরোতে পারছেন না।
ধুলিয়ানে মহিলার দেহ শ্মশানে নিয়ে যেতে পারছেন পরিবারের সদস্যরা
ধুলিয়ান বাজার এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। বাড়িতে মা শ্বাসকষ্টের অসুখে ভুগছিলেন। এরমধ্যেই তাঁর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়। ভয়ে আমরা শেষকৃত্যের জন্যও নিয়ে বেরোতে পারছিলাম না। শ্মশানেও লোক নেই। খুব আতঙ্কে রয়েছি। বাড়ির লোকেরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
লুটপাট চালিয়েছে দোকানদাররাও
অন্যদিকে, জঙ্গিপুরের এক পরিবারের ঘরে ও দোকানে লন্ডভন্ড করে গিয়েছেন হামলাকারীরা। বাড়ির মালিক বলেন, দিনদুয়েক আগে একদল মানুষ প্রথমে দোকানে হামলা করে। তারপরে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুড় চালায়। এখনও আমরা আতঙ্কে রয়েছি। বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের শাসিয়ে গিয়েছে। দোকান থেকে লক্ষাধিক টাকার জিনিসপত্র লুট করে গিয়েছে হামলাকারীরা।