বিগত কয়েক বছর ধরেই বিতর্কের মধ্যে থাকছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজো (Durga Puja 2025)। এবছরেও তার অন্যথা হয়নি। এদিকে পুজো শুরু হতে বাকি হাতেগোনা কয়েকটা দিন। তারমধ্যেই মুচিপাড়া থানা থেকে একাধি বিধিনিষেধ সহ ৪টি চিঠি এসে গিয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপা উত্তেজনা শুরু হয়েছে উদ্যোক্তাদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই মণ্ডপসজ্জা কার্যত শেষের পর্যায়ে। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০২৫-এ সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো পড়ল ৯০ তম বর্ষে। উদ্বোধনের দিন আসার কথা স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহের। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এথনও এই নিয়ে কোনও সবুজ সংকেত আসেনি। ফলে উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই নিয়ে এখনও বিস্তর দ্বিধা রয়েছে।

পুলিশের নির্দেশিকা

এবছরে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের থিম অপারেশন সিঁদুর। কীভাবে জঙ্গিরা হিন্দু মহিলাদের সিঁদুর মুছে ফেলেছিল এবং তার জবাবে ভারতীয় সেনা জঙ্গিদের খতম করেছিল, এই পুরো বিষয়টি থিমের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা। যদিও কলকাতা পুলিশ যেভাবে পদে পদে বাধা দিচ্ছে তাতে তাঁরা যথেষ্ট চিন্তিত। পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রবেশদ্বার হকার বসানো যাবে না, মণ্ডপ চত্বরে ৬০টি সিসিটিভি বসাতে হবে, ২৫০ জন অভিজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া স্টপেজের সামনে থেকে মণ্ডপের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞাপন লাগানো যাবে না।

দেখুন সজল ঘোষের বক্তব্য

কী বললেন সজল ঘোষ?

এই প্রসঙ্গে পুজো উদ্যোক্তা তথা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, আমরা আইনের ওপর ভরসা রাখছি। যদি আমরা কোনও বেআইনি কাজ করি, তাহলে অবশ্যই সেটা আমরা আটকে দেব। কিন্তু শুধু আমাদের জন্যই নিয়ম বানানো হচ্ছে এবং বাকিদের জন্যও সেই বিধিনিষেধ কার্যকর করা উচিত। কিন্তু যেভাবে আমাদের ৪টি নোটিশ পাঠিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে এই নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।