দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Gang Rape Case) উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। শুরু হয়েছে শাসক বিরোধী নেতাদের মধ্যে বাকযুদ্ধ। এরমধ্যেই শনিবার নির্যাতিতাকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার। অন্যদিকে নিউটাউনশিপ থানা ঘেরাও করেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই। অন্যদিকে, আজ সকালেই ওড়িশা থেকে দুর্গাপুর পৌঁছেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁদের সুরক্ষার জন্য এক পুলিশ অফিসার এবং এক প্রশাসনিক আধিকারিককে সবসময় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তরুণীর বাবার সঙ্গে কথাও বলেছেন ডিআইজিপি, ইআর, আইপিএস পিনাক মিশ্র।
নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করলেন মহিলা কমিশনের সদস্য
কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে জানান, “আমি নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেছি। সে আতঙ্কে রয়েছেন। অসুস্থও আছেন। যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। ক্যাম্পাসের আশেপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যাপ্ত নেই। পুলিশ পেট্রোলিং করে না, এমনকী ওই রাস্তায় আলো নেই। যার ফলে এরকম দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, আরজি কর হাসপাতাল, মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ, পাশকুড়া মেডিকেল কলেজে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। আগে চিকিৎসকদের একটা সম্মান ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার, পুলিশ প্রশাসন এই ধরনের ঘটনাগুলি কড়া হাতে দমন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। যার ফলে এই ধরনের অপরাধীরা সাহস নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে”।
দেখুন অর্চনা মজুমদারের মন্তব্য
#WATCH | Paschim Bardhaman, West Bengal: On meeting the victim of Durgapur Medical College gangrape case, NCW Member Archana Majumdar says, "This is really unfortunate and alarming, and I am very shocked... The medical student staying in the hostel went out for food around 8… pic.twitter.com/RIFjOhj2Am
— ANI (@ANI) October 11, 2025
দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ড
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ নিউটাউনশিপ থানা এলাকার মোহনবাগান অ্যাভিনিউতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়াকে গণধর্ষণ করে একদল অজ্ঞাত পরিচয়ের দুষ্কৃতি। যার মধ্যে এক বয়স্ক লোকও ছিল বলে জানিয়েছেন নির্যাতিতা। বর্তমানে সে দুর্গাপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওড়িশা থেকে ইতিমধ্যেই তাঁর পরিবার দুর্গাপুরে এসেছেন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন তাঁরা।