শর্মিলা পানোলির (Sharmistha Panoli Case) গ্রেফতারি নিয়ে শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সমাজমাধ্যমে অনেকেই দাবি করছেন যে গুরগাঁও নিবাসী ওই তরুণীকে কোনও গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই নাকি আটক করা হয়েছে। এবং তিনি নাকি পাকিস্তান-বিরোধী মন্তব্য করেছিলেন বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও এই নিয়ে রবিবার মুখ খুলল লালবাজার। কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে পোস্ট করে জানানো হয়েছে আইনের ছাত্রী শর্মিষ্ঠাকে যথাযথভাবেই গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনও বেআইনিভাবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। একইসঙ্গে তাঁর পাকিস্তান-বিরোধী মন্তব্য নিয়ে নয়, বরং একশ্রেণীর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার করার জন্যই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কিছু মানুষ এই নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি কলকাতা পুলিশের।
আইন মেনে গ্রেফতার করা হয়েছে শর্মিষ্ঠা পানোলিকে
পুলিশ প্রশাসনের দাবি, গত ১৫ মে শর্মিষ্ঠার বিরুদ্ধে যখন গার্ডেনরিচ থানায় অভিযোগ দায়ের হয়, তখন পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এরমাঝে একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নোটিশ পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু সে নিরুদ্দেশ ছিল। এরপর আদালতে থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে গুরগাঁতে গিয়ে শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করা হয়। সেখানে সম্মতি মিলতেই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতায় আনা হয়।
দেখুন কলকাতা পুলিশের পোস্ট
Some social media accounts are spreading false information that the Kolkata Police has unlawfully arrested a law student for opposing Pakistan. This narrative is mischievous and misleading: Kolkata Police pic.twitter.com/53038V1Anr
— ANI (@ANI) June 1, 2025
শর্মিষ্ঠা পানোলির বিতর্কিত ভিডিয়ো
প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পক্ষে মন্তব্য করতে গিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে বসেছিলেন শর্মিষ্ঠা। সেই নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। এই নিয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়। এদিকে বিপদ বুঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার ক্ষমা চান ওই ২২ বছরের তরুণী। সেই সঙ্গে ভিডিয়োটিও ডিলিট করে দেন। তারপরেও শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতায় এনে আলিপুর আদালতে পেশ করেন কলকাতা পুলিশ।