West Bengal Doctors' strike: ডাক্তারদের নিরাপত্তা দিতে বাধ্য পুলিশ, এনআরএসের পাশে থেকে সাফ জানালেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ
বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার(Photo Credit: Facebook)

কলকাতা, ১৪জুনঅনেক তো হল এবার আইনের রক্ষক চোখ খোলো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় (Abesh Banerjee) ও ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে শাব্বা হাকিমের (Shabba Hakim) পরে এ বার বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার (Badiyanath Ghosh Dastidar)। রাজনীতি নয়, এনআরএসের পাশে আছি, ফেসবুক পোস্টে সাফ জানিয়েদিলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এই ডাক্তার।

কাকলির ছেলেও অন্য দুজনের মতোই পেশায় চিকিৎসক। জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা, তার থেকে তৈরি হওয়া অস্থিরতা, আন্দোলন, রাজনীতি এই সবের মধ্যে তাঁর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন বৈদ্যনাথ। আরও পড়ুন-Doctor strike in West Bengal: প্রেস্টিজ ইস্যু করবেন না, বিক্ষোভ শুনে সমাধানের চেষ্টা করুন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একথাই বললেন ডক্টর হর্ষবর্ধন

সোশ্যাল মিডিয়ায় বৈদ্যনাথ স্পষ্টই বলেছেন, তিনি এনআরএসের সঙ্গে আছেন, রাজনীতি গোল্লায় যাক! বৈদ্যনাথ ফেসবুকে লিখেছেন, দুশো জন উর্দুভাষী জনতা হাসপাতালে ঢুকে তাণ্ডব করে, এক ডাক্তারকে প্রায় মৃত্যুর দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। এটা কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। সেই দুশো হামলাকারীর মধ্যে মাত্র পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এটাও মেনে নেওয়া যায় না। হাসপাতালে ডাক্তারেরা নিরাপদ নন, তাঁদের কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই যায়। ডাক্তারেরা যেখানে মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন, সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে অন্যায় ভাবে রাজনীতির রং দেওয়া হচ্ছে। তিনি নিজে গিয়ে আন্দোলনরত ডাক্তারদের খাবার ও জল পৌঁছে দেবেন বলে জানিয়েছেন বৈদ্যনাথ। তিনি এ-ও বলেছেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে মহিলা ডাক্তারদের দুষ্কৃতীরা যৌনাঙ্গ দেখিয়ে অসভ্যতা করেছে। অ্যসিড ছোড়া ও ধর্ষণ করার হুমকিও দিয়েছে।

তিনি আন্দোলনকারী ও চিকিৎসক-মহলের কাছে ক্ষমা চেয়ে লিখেছেন, তাঁর দলের কেউ যদি ডাক্তারদের বা তাঁদের আন্দোলনের সমালোচনা করে থাকেন, তার জন্য তিনি লজ্জিত। ‘আমায় তোরা ক্ষমা করে দে ভাই’, লিখেছেন বৈদ্যনাথ। বলেছেন, মানুষ যখন অসুস্থ হয়, তাঁদের বাঁচান ডাক্তারেরা। রাজনীতিক, পুলিশ বা টলিউডের স্টাররা নয়। আর ডাক্তাররা তো সামরিক বা পুলিশ প্রশিক্ষণ নিয়ে ডাক্তারি করতে আসেন না, তাই বিপদের মুখে তাঁদের নিরাপত্তা দিতেই হবে। বলা বাহুল্য, এই সামগ্রিক আন্দোলনের মুখেও যদি তৃণমূল সরকার তার অবস্থানে অটল থাকে তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিন সমাগত, এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।