Bharat Bandh, January 8, 2020: ধর্মঘটের গেরো! যাদবপুরেই গ্রেফতার বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী
বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী (Photo Credits: Facebook)

যাদবপুর, ৮ জানুয়ারি: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনসহ (CAA, 2019) একাধিক ইস্যুতে আজ বুধবার সারা ভারতজুড়ে বনধের ডাক দেয় বাম-কংগ্রেস-সহ একাধিক শ্রমিক সংগঠনে। এদিন ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘট (General Strike) ডাকা হয়। সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় মিছিল থেকে বিক্ষোভ। রেল লাইন অবরোধ করে ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। যানবাহন কম থাকা ছাড়া কলকাতার ছবিটা ছিল আর পাঁচটা সাধারণ দিনের মতই। এদিকে, বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এদিন যাদবপুরের ৮বিতে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল করেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। পরে যাদবপুর স্টেশনে অবরোধ করেন তাঁরা। ফলে আটকে যায় ২টি ট্রেন। পরে তাঁরা রাস্তায় টায়ার জ্বেলে অবরোধ শুরু করেন তাঁরা বলে অভিযোগ। পুলিশের গাড়ি এবং বাসে ব্যাপক ভাঙচুর চালান ধর্মঘট সমর্থকরা। বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। মারমুখী ধর্মঘটীদের লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামান হয় ব়্যাফ। আটক করা হয় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী-সহ বেশ কয়েকজনকে।

তাঁদের লালবাজারে (Lal Bazar) নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে টুইট করে বাম নেতা (Left Front Leader) লেখেন, "কলকাতা পুলিশ আমাদের গ্রেফতার করেছে যাদবপুর থেকে। আমি ছাড়াও দেবাশিস মুখার্জি, সুদীপ সেনগুপ্ত সহ গ্রেফতার করা হয়েছে আরও ৩০ থেকে ৪০ জন কমরেডকে। আমাদের লালবাজার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।" যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটে বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই সমর্থকরা। বেঞ্চ ও সাইকেল রেখে গেট আটকে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা। অন্যদিকে সকাল ১১টায় ধর্মঘটের সমর্থনে এন্টালি থেকে মিছিল করবেন বিমান বসু-সহ একাধিক বামপন্থী নেতারা। আরও পড়ুন: Bharat Bandh, January 8, 2020: শহর কলকাতায় যান চলাচল স্বাভাবিক

দেরিতে চলছে বেশ কয়েকটি শাখার রেল শিয়ালদা মেইন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ। রেল পরিষেবা (Rail Service) বন্ধ থাকে হাওড়া-বর্ধমান শাখায়। যাদবপুর স্টেশনে (Jadavpur Station) আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত। ফলে বিপত্তির মুখে পড়েন নিত্যযাত্রীদের একাংশ। এদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে ধর্মঘটীদের সঙ্গে বাস চালকদের বচসার চিত্র নজরে এসেছে। হেলমেট খুলেই বাস চালানোর জন্য অনুরোধ ধর্মঘটীদের। ভারত বনধে রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে আগেই মন্ত্রকের তরফে নোটিশ জারি হয়। তাতে বলা ছিল, ধর্মঘটের দিন কোনও রকমের ছুটির আবেদন মঞ্জুর করা হবে না। সব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে এই নির্দেশ লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় রেলওয়ে অ্যাক্ট ১৯৮৯-এর ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫ ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।