Jakir Hossain Blasts Case: জাকির হোসেন বিস্ফোরণ কাণ্ডে IED-র ব্যবহার?  ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার ব্যাটারি ও তার

মুর্শিদাবাদ, ১৯ ফেব্রুয়ারি: বুধবার নিমতিতা স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হয়েছেন রাজ্যের শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তাঁর হাতে ও পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। গতকাল জাকির হোসেনকে দেখতে এসএসকেএম হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত বিস্ফোরণ। ষড়যন্ত্র করেই হামলা চালানো হয়েছে। রিমোটের সাহায্যে বিস্ফোরণ করা হয়েছে। এদিকে ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থলের সামান্য় দূর থেকে তারের টুকরো ও রেললাইন থেকে ব্যাটারি উদ্ধার করেছে। বিস্ফোরণে ব্যবহৃত সামগ্রীতে তার বা ব্যাটারির সরঞ্জাম পেলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে যে বিস্ফোরণে IED ব্যবহৃত হয়েছিল কিনা। যদি IED ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয় তবে তা রিমোটের সাহায্যে নাকি অন্য কোনও মেকানিজমের সাহায্যে নেওয়া হয়েছে? সেই মেকানিজমটাই বা কি?

জাকির হোসেনের উপরে বোমা হামলার ঘটনাকে রাজ্যের সর্বদলের তরফেই নিন্দা করা হয়েছে। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেছেন, তৃণমূলের মধ্যে সৎ সাহসী পরিশ্রমি নেতা জাকির। তিনি দৈত্যকুলে প্রহ্লাদ। জানা গিয়েছে, গরু পাচারের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন ওই মন্ত্রী। এবং বিএসএফ ও পুলিশের য়োগ সাজশের প্রসঙ্গ তুলে দলেও বেশ বিপাকে পড়েন। এমনকী সম্প্রতী তাঁকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এর পরেপরেই রঘুনাথ গঞ্জ থানায় অভিযোগও দায়ের করেন জাকির হোসেন। হামলার ঘটনার নিন্দা করে ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, বিরোধীদের কারমে রাজ্যে কেউ শান্তিতে বাঁচতে পারবে না। তিনিই মূলত জাকির হোসেনের চিকিৎসার তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের দাবি, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন হাল হয়েছে যে মন্ত্রীও রেহাই পাচ্ছেন না। বিষয়টি ভেবে দেখুন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার রেলপুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। আরও পড়ুন-China Unveils Names of 4 PLA Martyrs: এতদিনে গলওয়ান ভ্যালিতে মৃত ৪ সেনার নাম প্রকাশ করল চিন

রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস ধরতে নিমতিতা স্টেশনে এসেছিলেন জাকির হোসেন। তখন প্ল্যাটফর্মে কেন আলো ছিল না? একই প্রশ্ন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষেরও। যদিও বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার গোটা ঘটনার জন্য শাসকদল তৃণমূল ও রাজ্য সরকারকেই দোষারোপ করেছেন।