Rahul Sinha On By Election Result: ইভিএম জালিয়াতি করে ভোটে জিতেছে তৃণমূল, তোপ দাগলেন রাহুল সিনহা
রাহুল সিনহা (Photo Credit: PTI)

নতুন দিল্লি, ২৯ নভেম্বর: ইভিএম জালিয়াতি করে তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতেছে তৃণমূল। দিল্লি থেকে সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিজেপি (BJP) নেতা রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব যে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করতে চাইছেন, তা-ও জানালেন রাহুলবাবু। তিনি সংবাদ সংস্থা আইএনএস-কে বলেন, “উপনির্বাচনের যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যকলাপের দায়িত্বে ছিল রাজ্য সরকার। তাই নির্বাচনে জেতার জন্য তৃণমূল যা খুশি তাই করতে পারে।” ইভিএম নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করতে ছাড়েননি রাহুল সিনহা। তিনি অভিযোগ করেন, “ইভিএমের সঙ্গে যে কোনওকিছু হতে পারে। শাসকদল ভোটে জেতার জন্য হাজে খেলা খেলতে পারে, এটা আপনি অস্বীকার করবেন না।”

রাহুলবাবু আরও বলেন, “লোকসভা ভোটে বিজেপি কালিয়াগঞ্জ ও খড়গপুর সদরে বিরাট মার্জিনে জেতে। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে কালিয়াগঞ্জ ও করিমপুরে এর থেকেও বেশি ভোট পেয়েছে দল। এরপরেও দল তিনটে কেন্দ্রতেই হেরে গেল? এই প্রথম খড়গপুর সদর আসনটি তৃণমূল জিতে নিল। এই আশাতীত জয়ই সন্দেহ জাগিয়েছে। কেননা বিজেপি তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ের বিষয়ে একেবারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত ছিল।” লোকসভা ভোটে জেতা আসান কালিয়াগঞ্জে ধরাশায়ী বিজেপি (Kaliaganj Assembly By-Election)। ২৩০৪ ভোটে পদ্মফুলের সুবাসকে কালিয়াগঞ্জের সীমানা পার করে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী তপন দেব সিংহ। যদিও এই কেন্দ্রে প্রথম থেকেই এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবিটা পাল্টাতে শুরু করে। আরও পড়ুন-TMC Wins By Election: এনআরসি ইস্যুতে ২ কোটি বাঙালিকে ঘাড়ধাক্কা দিতে চেয়েছিলেন, ৬ মাসে দিলীপকে বাই বাই করল বাংলা

দশ রাউন্ডে ব্যবধান কমতে কমতে শেষ পর্যন্ত সপ্তম রাউন্ডে এসে বিজেপি একেবারে হড়কে যায়। এককথায় স্বপ্ন ভঙ্গ যাকে বলে, বিজেপির এখন তাই অবস্থা। কালিয়াগঞ্জে বিজেপির মুখের গ্রাস ছিনিয়ে নিয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। খড়গপুরে বিস্ময় ঘটালেন তৃণমূলের তরুণ নেতা তথা পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। লোকসভা ভোটের তুলনায় খড়গপুরে ২৪১৩৫ টি ভোট বাড়িয়ে ফেলল তৃণমূল। ১৬ সালের ভোটের তুলনায় এই বৃদ্ধি আরও বেশি। হিসাব মতো ১৪২ শতাংশ তথা ৪৮,৩৬৭ ভোট বাড়িয়েছে তৃণমূল।উপনির্বাচনে সাড়া জাগিয়ে ফেরার আশা নিশ্চিত। পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমকে তাই বলেই ফেললেন মনের কথা, আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ নীরবে জবাব দিল।