Anti CAB Protests: দেশের মুসলিমদের নিশানা করছে কেন্দ্র, সংখ্যালঘুদের এনআরসি-নাগরিকত্ব আইন বিরোধী মিছিলে অবরুদ্ধ কলকাতা
নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বাংলার সংখ্যালঘুরা (Photo Credit:Social Media)

কলকাতা, ১৩ ডিসেম্বর: মধ্যরাতেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে (CAB) সই করে তাকে আইনের কার্যকর করার পথ সুগম করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (President Ramnath Kovind) । আর অসমে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় জ্বলছে আগুন। প্রধানমন্ত্রী ও অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সাড়া জাগানো আবেগতাড়িত বক্তব্যও সেই আগুনে জল ঢালতে পাড়েনি। এরমধ্যেই কলকাতা শহরের রাজপথে নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি-র বিরোধিতা করে পথে নেমে পড়ল বেশ কিছু ইসলামিক সংগঠন। সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির বিরাট মিছিলে শুক্রবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে গেল শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা থেকে পার্কস্ট্রিট। শুক্রবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (CM Mamata Banerjee) দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে এই আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার আবেদন জানিয়েছিলেন। দুপুরেই রাস্তায় নামল সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি (Minority Organisation)।

গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বক্তব্য রাখার সময় সংখ্যালঘু সংগঠনগুলির নেতারা বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ভারতের মুসলমানদের নিশানা করেছে। এই আইন সরাসরি মুসলমানদের বিরুদ্ধে। সংবিধানের তোয়াক্কা না করেই এই আইন পাশ করানো হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। সংগঠনগুলির যৌথ লিফলেটে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই আইন নতুন করে দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণাকে সামনে নিয়ে আসছে। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই সভা থেকেই আগামী দিনে আরও বড় আকারে এই আন্দোলনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়। এদিনের কলকাতার মিছিলে মুসলিম মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে শুধু কলকাতাতেই নয় জেলাতেও বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠনের ডাকে এদিন এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে পথে নামে মানুষ। মুর্শিদাবাদে আন্দোলনের তীব্রতা এতটাই চিল যে অবরোধের জেরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বেশ কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উলুবেড়িয়াতেও মিছিলের জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আরও পড়ুন-Citizenship Amendment Bill Protest: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে আগুন জ্বলছে অসমে, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাতিল সমস্ত বিমান

এদিন মমতা ব্যানার্জি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন বাংলায় এনআরসি, ক্যাব কিছুই হবে না। অভয় দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “যতই আইন পাশ করুক। কার্যকর করবে তো সরকার। বাংলার সরকার ওই আইন কার্যকর করবে না করবে না করবে না।”