Case Against Twitter, TikTok, WhatsApp: টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টিকটকের বিরুদ্ধে মামলা করল হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম পুলিশ
প্রতীকী ছবি (Photo Credits: IANS)

হায়দরাবাদ, ২৮ ফেব্রুয়ারি: নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (CAA) বিরোধী কনটেন্ট (Content) পোস্ট করতে দেওয়ায় টুইটার (Twitter), হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) ও টিকটকের (TikTok) বিরুদ্ধে মামলা করল হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম পুলিশ (Hyderabad Cyber Crime Police )। টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টিকটকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে যে তারা ব্যবহারকারীদের "দেশ ও ধর্ম" র বিরুদ্ধে লেখআ মেসেজ এবং ভিডিয়ো আপলোড এবং পোস্ট করতে দিচ্ছে। নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরোধিতা করে যারা পোস্ট করছে, মূলত তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

নোটা টিভি (NOTA TV) নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলের কর্তা এই অভিযোগ করেছেন। তাঁর নাম সিলভারি শ্রীশাইলাম (Silveri Srishailam)। তিনি নিজেকে সাংবাদিক বলে দাবি করেছেন। ভারতে হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান অভিজিৎ বোস, টুইটার কমিউনিকেশনস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের এমডি মনীশ মহেশ্বর এবং টিকটক-র প্রধান নিখিল গান্ধির নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী প্রথমে তেলাঙ্গানা হাইকোর্টে আবেদন করেন, যাতে আদালত হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম পুলিশকে নির্দেশ দেয় সোশাল মিডিয়া জায়ান্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিতে। আদালতের নির্দেশের পর হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার কেভিএম প্রসাদ পিটিআইকে জানান যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও পড়ুন: Sir John Tenniel Google Doodle: ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’-এর চিত্রকর স্যার জন টেনিলের ২০০ বছরের জন্মদিনে গুগলের শ্রদ্ধার্ঘ্য

অভিযোগকারীর বক্তব্য, টিকটকের ব্যবহারকারীরাই সিএএ বিরোধী ভিডিয়ো পোস্ট করছে। কয়েকটি ভিডিয়োতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর কথা রয়েছে এবং অন্য ভিডিয়োতে যারা সরকারের নীতিগুলি সমর্থন করে তাদের বিরুদ্ধে খারাপ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকী ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্যের সঙ্গে অশ্লীল মেম ছিল। অভিযোগকারীর দাবি, পাকিস্তান থেকে একটি টুইটার হ্যান্ডল চালনা করা হচ্ছে, যেখানে অশ্লীল এই মেমগুলি শেয়ার করা হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা ভারতে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার বিষয়ে গভীরভাবে যত্ন নেয়। কম্পানির এক মুখপাত্র বলেছেন, "হোয়াটসঅ্যাপ ভুয়ো তথ্যের ক্ষতিকারক পরিণতির মোকাবেলায় সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং অন্য প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে কাজ করেছে। এবং উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে।"