টেনিস খেলোয়াড় মাধবীন কামাথকে গ্রেফতার করে আহমেদাবাদে সাইবার ক্রাইম পুলিশ। ২১ বছর বয়সী এক মহিলাকে যৌনকর্মী হিসেবে বর্ণনা করে তার পোস্টার দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় মাধবীন কামাথকে। জানা গেছে, প্রথমে অভিযোগ করা হয় ২২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অভিযোগকারীর ছবি ডাউনলোড করার পর তাকে যৌনকর্মী হিসেবে বর্ণনা করে গোটা শহরে তার বিকৃত পোস্টার লাগিয়ে দেয়। এছাড়া অভিযোগকারীর সুনাম নষ্ট করার জন্য ওই পোস্টারে তার ফোন নম্বরও দিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারীর কাছে ১ এপ্রিল একটি ফোন কল আসে, ফোনে তাকে যৌনকর্মী হিসেবে তিনি কত টাকা নেন সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। এরপরেই পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা হয় এবং পুলিশ এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে। পুলিশি তদন্তে জানা যায় এই ঘটনার পিছনে হাত রয়েছে টেনিস খেলোয়াড় মাধবীন কামাথের। ওই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে এই বিষয়ে মাধবীন কামাথের বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে সিসিটিভি প্রমাণ। এরপর শীঘ্রই তাকে খুঁজতে শুরু করে পুলিশ। তবে সেই সময় ফ্রান্সে একটি টুর্নামেন্ট খেলার জন্য দেশ ছেড়ে চলে গিয়ে ছিলেন মাধবীন কামাথ।
এপ্রিলে মাধবীন কামাথের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের ধারা ৩৫৪এ অর্থাৎ যৌন হয়রানি, ধারা ৫০৯ অর্থাৎ মহিলার শালীনতাকে নষ্ট করার উদ্দেশ্য এবং ধারা ৪৬৯ অর্থাৎ জালিয়াতি করার উদ্দেশ্যর জন্য মামলা দায়ের করা হয়। আদালত কামাথের আগাম জামিনের আবেদন নাকচ করে দেয়। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন আদালত মাধবীন কামাথের জামিন প্রত্যাখ্যান করার পর সাইবার ক্রাইম পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে তাকে। তবে অপরাধটি জামিনযোগ্য হওয়ায় রবিবার জামিন দেওয়া হয় মাধবীনকে। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়িক কারণে মতপার্থক্য হওয়ার কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল কামাথ।