Dickie Bird Passed Away: দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেন ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা আম্পয়ার ডিকি বার্ড। তাঁর আসল নাম হল হারল্ড ডেনিস বার্ড। ৯২ বছর বয়সে নিজের বাড়িতে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করলেন ডিকি বার্ড। তিনি ৬৬টি টেস্ট ও ৭৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্য়াচ পরিচালনা করেছেন। মোট তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ডাকি বার্ড আম্পয়ার ছিলেন। ১৯৫৬-৬৫ ইয়র্কশায়ারের হয়ে ক্রিকেট খেলার পর অবসর নিয়ে তিনি আম্পয়ার হন। আম্পায়ার হিসাবে তাঁর সাফল্য এভারেস্ট সমান। হাঁটুর চোটের কারণে মাত্র ৩১ বছর বয়সে ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে হয়েছিল। কিন্তু খেলা ছাড়ার পর ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি ক্রিকেটকে সমৃদ্ধ করেন।
বিদায় বার্ড
It is with profound sadness that The Yorkshire County Cricket Club announces the passing of Harold Dennis “Dickie” Bird MBE OBE, one of cricket’s most beloved figures, who died peacefully at home at the age of 92.
— Yorkshire CCC (@YorkshireCCC) September 23, 2025
'থ্য়াঙ্কলেস জব' আম্পয়ারিংকে আলাদা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন ডিকি বার্ড
বাইশ গজে ডন ব্র্যাডম্যান, সচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলি, ব্রায়ান লারা নাকি জো রুট, কে শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে বিতর্ক আছে। কিন্তু ক্রিকেট আম্পয়ার হিসাবে সর্বকালের সেরা যে ডিকি বার্ড তা নিয়ে কোনও দিন কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। আম্পয়ারিংয়ের তিনিই ছিলেন শেষ কথা। তাঁর মত নিখুঁত সিদ্ধান্ত, ম্যাচ পরিচালনা করতে বাইশ গজে কাউকে কোনও দিন দেখা যায়নি। আম্পায়ারিংয়ের মত 'থ্য়াঙ্কলেস জব' বা ধন্যবাদহীন কাজকে তিনি প্রশংসার ক্ষেত্র করে দেখিয়েছিলেন। কথায় বলে আম্পায়ার ডিকি কোনও দিন ভুল সিদ্ধান্ত নেন না।
প্রয়াত ডিকি বার্ড
Legendary cricket umpire Dickie Bird dies aged 92 https://t.co/fdq1i5jrZ8
— BBC Breaking News (@BBCBreaking) September 23, 2025
ডিকি বার্ডকে নিয়ে কিছু জানা-অজানা কথা
ডিকি বার্ডের বাবা ছিলেন কয়লাখনির শ্রমিক। বার্ড নিজেও কিছু সময় কয়লাখনিতে কাজ করেছিলেন। তিনি ইয়র্কশায়ার ও লিস্টারশায়ারের হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন। কিন্তু হাঁটুর চোটের কারণে মাত্র ৩১ বছর বয়সে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করতে হয়েছে। ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের পর মাঠে ভিড় ঢুকে যায়। সেই সময় একজন বাস কনডাক্টর ডিকি বার্ডের টুপি নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সময়ানুবর্তিতা খুব ভালোবাসতেন। বিশেষ করে যখন রানী এলিজাবেথ মাঠে আসার সম্ভাবনা থাকত, তখন তিনি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আগে মাঠে পৌঁছাতেন।