Dukes Ball (Photo Credit: JioHotstar)

Dukes Ball Controversy: শুভমন গিলের (Shubman Gill) নেতৃত্বাধীন ভারত বর্তমানে ইংল্যান্ডে অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফি ২০২৫ (Anderson-Tendulkar Trophy 2025) এর পাঁচটি টেস্ট ম্যাচ সিরিজ খেলছে। দুটি ম্যাচ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সিরিজটি বর্তমানে ১-১ সমতায় আছে। চলমান তৃতীয় টেস্ট ম্যাচে লন্ডনের আইকনিক লর্ডস স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছে। যেখানে ভারতীয় খেলোয়াড়রদের আম্পায়ারদের সঙ্গে বল পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। ইংল্যান্ডের ব্যাটিং চলাকালীন ভারতীয় খেলোয়াড়দের অনেকবার আম্পায়ারদের সাথে বল নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। যা স্পষ্ট করে যে অধিনায়ক শুভমন গিল বল পরিবর্তনের ব্যাপারটি নিয়ে আম্পায়ারের প্রতি সন্তুষ্ট নন। এর আগে ভারতের সহ-অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant), এমনকি ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস (Ben Stokes) সবাই এই বলের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। Joe Root Catches Record: টেস্ট ক্রিকেটে ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশী ক্যাচ! ইতিহাস গড়লেন জো রুট

ডিউকস বল নিয়ে কোম্পানির মালিকের মন্তব্য

ডিউকস বলে সমস্যাটা কি?

ভারত বনাম ইংল্যান্ডের টেস্ট সিরিজের সময় ডিউকস বল নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো এটি ম্যাচে খুব তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাচ্ছে। আরেকটি সমস্যা হলো আম্পায়ারদের ব্যবহৃত গেজ। আসলে আম্পায়ার যখন বলের আকৃতি দেখতে গেজ পরীক্ষা করেন তখন যদি বল অক্ষত থাকে তবে সেটি মসৃণভাবে সেই গেজ পার করে যায়। তবে, যদি বলটি গেজে আটকে যায়, তবে এটি নির্দেশ করে যে বলটির আকৃতি নষ্ট হয়েছে। একটি বিকৃত বল সিমের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। যা প্রভাব ফেলে স্যুইং এবং বাউন্সের ওপর। অন্যদিকে, একটি নরম বল ধরা কঠিন হয়, ফলে ফিল্ডারদের কাজ কঠিন হয়ে যায়। এটি পেসার ও স্পিনার দুই ক্ষেত্রেই নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

কি বলছেন ডিউকস বল কোম্পানির মালিক?

ডিউকস বল কোম্পানির মালিক দিলীপ জাজোডিয়া (Dilip Jajodia) চান ক্রিকেটাররা যেন একটু ধৈর্য ধরুক। তৃতীয় টেস্টে বিতর্ক বাড়তেই জাজোডিয়া সামনে এসেছেন এবং জানিয়েছেন যে তার কোম্পানি, যা ১৮-এর শতকের। এখন ইংল্যান্ডের অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া এবং আধুনিক খেলার দাবিগুলির কথা মাথায় রেখে তারা বলের উন্নতির জন্য প্রস্তুত। লন্ডনে প্রচণ্ড গরমে ব্যাটাররা ভারী ব্যাট দিয়ে এই বলকে আঘাত করছেন ফলে লর্ডস টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সকালে দু'বার ডিউকস পরিবর্তন করা হয়। প্রথমে মাত্র ১০ ওভারের বল পরিবর্তন করার পরও ভারতীয় খেলোয়াড়রা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট ছিলেন যার ফলে কয়েক মিনিটের মধ্যে আরেকটি পরিবর্তন করা হয়।