WhatsApp Numbers of Virat Kohli, AB de Villiers Leaked? ভারতীয় ব্যাটার রজত পাটিদার (Rajat Patidar) সম্প্রতি তার পুরনো মোবাইল নম্বরের জন্য বেশ বিপাকে পড়েছেন। ছত্তীসগঢ়ের দুই ক্রিকেট ভক্ত এবং তার এই ঘটনা সাধারণ টেলিকম সমস্যা মনে হলও তা দ্রুত একটি অবাক করা গল্পে রূপান্তরিত হয়েছে। ঘটনা এমন বেড়েছে যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (Royal Challengers Bengaluru) অধিনায়ককে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নিতে বাধ্য করে। NDTV-এর রিপোর্ট অনুসারে, পাটিদারের আগের মোবাইল নম্বর ৯০ দিন ধরে ডিঅ্যাক্টিভ করা সেকারণে টেলিকম কোম্পানি তার নম্বর বাতিল করে অন্য কাউকে সেই নম্বর দিতে বাধ্য হয়েছে। এখন নম্বরটি মধ্যপ্রদেশের গাড়িবন্দ জেলার মনীশ নামের একটি ছেলের কাছে রয়েছে। তিনি সেই নম্বর জুনের শেষের দিকে রিলায়েন্স জিও সিম কার্ড ব্যবহার করে অ্যাক্টিভ করেন। Virat Kohli: ওয়ানডেতে ফিরতে লন্ডনে প্র্যাকটিস শুরু বিরাট কোহলির, শেয়ার করলেন পোস্ট
বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ফাঁস?
🚨 RAJAT PATIDAR CALLS COPS ON FANS 🤯
Rajat Patidar’s former phone number, inactive for over three months, was reassigned to a new owner. The young man spotted Patidar’s picture on WhatsApp and, putting two and two together, began ringing up cricket stars Virat Kohli and AB de… pic.twitter.com/ZqXwjuHGlf
— CricketGully (@thecricketgully) August 10, 2025
এই নম্বর অ্যাক্টিভ করার পর মনীশ এবং তার বন্ধু খেমরাজ নতুন নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল ছবিতে পাটিদারের ছবিটি দেখতে পান, যা প্রমাণ করে যে আগের মালিক কে ছিলেন। শিগগিরই সেই ফোনে নানা ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে ফোন কল পেতে শুরু করে, যার মধ্যে ছিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli) এবং এবি ডি ভিলিয়ার্স (AB de Villiers), যারা পাটিদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিলেন। প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও, মনীশ এবং খেমরাজ পরিস্থিতিতে বেশ মজা নিতে শুরু করেন। এরপর পাটিদার নিজেই মনীশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরিস্থিতি আরও গম্ভীর হয়ে ওঠে। তিনি তার পুরনো নম্বরটি পুনরুদ্ধারের জন্য ফোন করেন, পাটিদার তাকে গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে জানান যে যা তার কোচ, টিমে সদস্য এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের জন্য এই নম্বর গুরুত্বপূর্ণ। তবে, তারা ব্যাপারটাকে মজা ভেবে নিজেদের এম এস ধোনি বলে কথাটা উড়িয়ে দেয়।
অবিশ্বাসের মুখোমুখি হয়ে পাটিদার তাদের সতর্ক করে বলেন, 'ঠিক আছে, আমি পুলিশ ডাকবো।' এরপর দ্রুত বিষয়টিকে গম্ভীর হয়ে যায়। তারপর দশ মিনিটের মধ্যে, স্থানীয় পুলিশ মনীশের বাড়িতে ঘটনা মেটানোর জন্য হাজির হয়। বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে, মনীশ এবং খেমরাজ সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে, সিম কার্ডটি এর সঠিক মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেয়। ঘটনাটি সম্পর্কে চিন্তা করতে গিয়ে, খেমরাজ অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশ আনন্দ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, 'একটি ভুল নম্বর এর কারণে আমি কোহলির সাথে কথা বলতে পেরেছি। আমার জীবনের স্বপ্ন পূর্ণ হলো।'