Yuvraj Singh and Sachin Tendulkar (Photo Credit: Yuvraj Singh/ X)

Yuvraj Singh on 2011 ODI World Cup Win: প্রাক্তন ভারতীয় মিডল অর্ডার ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড যুবরাজ সিং (Yuvraj Singh) আজ, ২০১১ সালে মেন ইন ব্লু-র আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। এই শতাব্দীতে ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তের মধ্যে একটি হল ঐতিহাসিক শিরোপা। ২০১১ সালের এই দিনেই মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ভারত। যুবরাজ আজ সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ফের মনে করেছেন। যেখানে টুর্নামেন্টে তিনি নিজের এবং ভারতীয় দলের সেরা কিছু মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)-কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ' ২ এপ্রিল, ২০১১- যে রাতে আমরা এক বিলিয়ন মানুষের জন্য এটি করেছি ... এবং এমন একজনের জন্য যিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় ক্রিকেটকে নিজের কাঁধে বহন করছিলেন। সেই বিশ্বকাপ শুধু একটা জয় ছিল না। এটা একজন কিংবদন্তিকে ধন্যবাদ। আমরা সচিন তেন্ডুলকরকে দেখে বড় হয়েছি।' On This Day in Cricket: আজকের দিনেই ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জেতে ধোনিরা, ফিরে দেখুন সেই মুহূর্ত

ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের ১৪ বছর পর সচিন তেন্ডুলকরকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট যুবরাজ সিংয়ের

তিনি আরও লিখেছেন যে, 'সেই রাতে আমরা তাকে (সচিনকে) তার প্রাপ্য মুহূর্তটি দেওয়ার জন্য খেলেছি। ১৪ বছর পরেও ভারতের জয়ের স্মৃতি আমাকে শিহরিত করে। একটি রাত যা আমরা কখনই ভুলব না।' এখানে উল্লেখ্য, যুবরাজ সেই বিশ্বকাপে ছিলেন 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট'। তিনি তার অতুলনীয় অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দিয়ে দেশবাসীকে কাপ উপহার দিয়েছিলেন। নয় ম্যাচে আট ইনিংসে ৯০.৫ গড় ও ৮৬-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে তিনি ৩৬২ রান করেন। একটি সেঞ্চুরি ও চারটি ফিফটির সঙ্গে সেরা ১১৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান করার খেলোয়াড়দের তালিকায় আট নম্বরে ছিলেন তিনি। এছাড়া ২৫.১৩ গড়ে ১৫ উইকেট নিয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে শেষ করেন এই অলরাউন্ডার।

২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সচিন তেন্ডুলকরের পারফরম্যান্স

২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সচিন তেন্ডুলকরও ছিলেন অসাধারণ। ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের ভূমিকা গড়তে তিনি ছিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ৯১.৯৮ এর স্ট্রাইক রেটে ৯ ম্যাচে মোট ৪৮২ রান করেন। তিনি সেই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করা ভারতীয় হন। দুটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিতে তার ধারাবাহিকতা ও ক্লাস ফুটে ওঠে। তার কিছু স্ট্যান্ডআউট পারফরম্যান্সের মধ্যে ছিল বেঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এবং নাগপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত ১১১ রান। এছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৮৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান তিনি। বিশ্বকাপ জয় সচিনের জন্য ছিল বিশেষ, কারণ একটি ট্রফি উঁচিয়ে ধরার তার আজীবনের স্বপ্ন সেদিন পূরণ হয়। সেই কারণে তরুণ ধোনি-বিরাটরা ভিকট্রি ল্যাপের সময় তাকে কাঁধে তুলে নেন। এই মুহূর্ত ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে আইকনিক এক ছবি।