Shoaib Akhtar Lashes Out At China Over Coronavirus: 'বাদুড়, কুকুরের মাংস খেয়ে, রক্ত ও মুত্র পান করে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে চিনারা', দাবি শোয়েব আখতারের
শোয়েব আখতার (Photo Credits: Facebook)

ইসলামাবাদ, ১৪ মার্চ: "বাদুড়ের (Bats) মাংস, রক্ত ও মুত্র পান করে বিশ্বজুড়ে ভাইরাস ছড়িয়েছে চিনারা। আর তার জেরে ভুগতে হচ্ছে গোটা বিশ্বকে।" শুক্রবার একথা বললেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar)। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারি না কেন আপনাদের বাদুড় জাতীয় খাবার খেতে হবে, তাদের রক্ত এবং মুত্র পান করতে হবে এবং বিশ্বজুড়ে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে হবে।" করোনাভাইরাসের আতঙ্কে বাতিল হয়ে যাচ্ছে একের পর এক বড় বড় খেলার টুর্নামেন্ট। স্থগিত হয়ে যাচ্ছে সিরিজ। দর্শকশূন্য মাঠে চলছে খেলা। পাকিস্তান সুপার লীগের (PSL) বাকি সব খেলা হবে ফাঁকা মাঠে। যা দেখেই নিজের ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলার।

পাকিস্তানের প্রাক্তন ফাস্টবোলার করোনাভাইরাস (Coronavirus) ছড়িয়ে পড়ার জন্য দায়ী করেছেন চিনের নাগরিকদের। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আখতার বলেছেন, "আমি জানি না ওরা বাদুড়ের মাংস কেন খায় বা বাদুড়ের রক্ত, মূত্র কেন পান করে আর গোটা বিশ্বে ভাইরাস ছড়ায়। আমি চিনাদের কথা বলছি। গোটা বিশ্বকে বিপদের মুখে ফেলেছে ওরা। আমি বুঝতে পারি না কীভাবে কেউ বাদুড়, কুকুর বা বেড়ালের মাংস খেতে পারে। আমি সত্যই ভীষণ ক্ষুব্ধ।" আখতার আরও বলেছেন, "গোটা বিশ্ব বিপদে। পর্যটন শিল্পের বিরাট ক্ষতি। অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। গোটা বিশ্ব কার্যত স্তব্ধ হতে বসেছে।" আরও পড়ুন: Coronavirus Outbreak: সোমবার থেকে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার, চলবে উচ্চমাধ্যমিক

চিনাদের খাদ্যাভ্যাস পাল্টাতে নতুন আইন আনারও দাবি জানিয়েছেন শোয়েব। তিনি বলেন, "আমি চিনের মানুষের বিপক্ষে নই। তবে পশুদের নিয়ে আইন আনার পক্ষে। জানি এটা হয়তো আপনাদের সংস্কৃতি। তবে মানবতার পক্ষে এই খাদ্যাভ্যাস ক্ষতিকারক। বলছি না চিনাদের বয়কট করা হোক। তবে কিছু আইন দরকার। সব কিছু খাওয়া ঠিক নয়।"

আখতার জানিয়েছেন, পিএসএলের চূড়ান্ত পর্ব ফাঁকা স্টেডিয়ামে হওয়ার সিদ্ধান্তে বা আইপিএলের মতো টুর্নামেন্ট পিছিয়ে যাওয়ায় তিনি ব্যথিত। তিনি বলেন, "“আমি আরও শুনেছি যে আইপিএল ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। হোটেল শিল্প, ভ্রমণ শিল্প, সম্প্রচারকরা এর কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি যাতে এই ভাইরাস ভারতে না পৌঁছোয়। সেখানে প্রায় ১৩০ কোটি লোক রয়েছে। ভারতে আমার বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তাদের শুভ কামনা জানিয়েছি।"