Team India Jersey Sponsorship: ড্রিম ইলেভেন সরে যাওয়ার পর নতুন মূল স্পন্সরের খোঁজে বিসিসিআই। নতুন জার্সি স্পন্সরের জন্য নূন্যতম দর বা বেস প্রাইস হিসাবে দুটি শর্ত রাখল বোর্ড। সেগুলি হল-১) দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ম্যাচ প্রতি সাড়ে ৩ কোটি টাকা, ২) আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের টুর্নামেন্টে ম্য়াচ প্রতি দেড় কোটি টাকা। নূন্যতম এই দর দিতে রাজি থাকলেই ভারতীয় ক্রিকেটের জার্সি স্পন্সর হিসাবে টেন্ডারে নাম লেখানো যাবে। আগামী তিন বছরের জন্য স্পন্সর খুঁজছে ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামত সংস্থা। বোর্ড কর্তাদের ধারণা, বেস প্রাইসের চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ দরেই আসবে নতুন স্পন্সর। তার মানে ড্রিম ইলেভেনের থেকে বোর্ড যে অর্থ পেত, তার চেয়েও জার্সি স্পন্সর হিসাবে বেশি দর হাঁকাল BCCI।
ড্রিম ইলেভেন ম্য়াচ প্রতি ৩ কোটি টাকা দিত
প্রসঙ্গত, ড্রিম ১১ বিসিসিআই-কে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ম্যাচ প্রতি ৩ কোটি টাকা এবং আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ইভেন্টের জন্য প্রতি ম্যাচে ১ কোটি টাকা করে দিত। সূত্রের খবর, গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা টোয়োটা ভারতীয় ক্রিকেটের প্রধান স্পন্সর হিসাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। লড়াইয়ে আছে অ্য়ামজনও।
দেখুন খবরটি
🚨 𝐁𝐂𝐂𝐈 sets *𝐧𝐞𝐰* base price for jersey sponsorship:
💰 INR 𝟑.𝟓𝟎 𝐂𝐫/𝐛𝐢𝐥𝐚𝐭𝐞𝐫𝐚𝐥 𝐦𝐚𝐭𝐜𝐡 and 𝐈𝐍𝐑 𝟏.𝟓 𝐜𝐫𝐨𝐫𝐞/𝐦𝐮𝐥𝐭𝐢𝐥𝐚𝐭𝐞𝐫𝐚𝐥 𝐦𝐚𝐭𝐜𝐡 (ICC/ACC competitions)
💰 BCCI is said to be seeking sponsorship for the 𝐧𝐞𝐱𝐭 𝐭𝐡𝐫𝐞𝐞 𝐲𝐞𝐚𝐫𝐬 pic.twitter.com/ECKIqpf0s4
— Cricbuzz (@cricbuzz) September 5, 2025
ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে বোর্ডের ৩৫৮ কোটি টাকার চুক্তি ছিল
২০২৩ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি স্পনসর হিসেবে বিসিসিআই-এর সঙ্গে তিন বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, যার মোট মূল্য ছিল ৩৫৮ কোটি টাকা। এই চুক্তির অধীনে, ড্রিম ১১ বিসিসিআই-কে নিম্নলিখিত হারে ম্যাচ প্রতি অর্থ প্রদান করত:দ্বিপাক্ষিক ম্যাচের জন্য: প্রতি ম্যাচে ৩ কোটি টাকা। আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ইভেন্টের জন্য: প্রতি ম্যাচে ১ কোটি টাকা। যেহেতু আইসিসি বা এসিসি টুর্নামেন্টগুলিতে জার্সিতে স্পন্সরের নাম বা লোগো দেখানোর জায়গা কম তাকে তাই সেখানে টাকাটা কম দিতে হয়। তবে নতুন স্পন্সর আনার প্রক্রিয়া এখনও আরম্ভ না হওয়ায় আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে চলা এশিয়া কাপে টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে কোনও রকম স্পন্সরের নাম দেখা যাবে না।
বিসিসিআই স্পনসরশিপে বাদ পড়ছে যে ধরনের কোম্পানিগুলি
ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসরশিপের দৌড় থেকে একঝাঁক কোম্পানিকে বাদ দিচ্ছে বিসিসিআই। ২০২৫ সালের ‘প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অফ অনলাইন গেমিং অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি রিয়েল-মানি গেমিং, বেটিং বা জুয়া চালায় (যেমন— ড্রিম ১১), তারা আর স্পনসর হতে পারবে না। শুধু তাই নয়, ক্রিপ্টোকারেন্সি, মদ, তামাকজাত পণ্য, পর্নোগ্রাফি বা যেসব ব্যবসা জনসমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়, তাদেরও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান স্পনসরদের সঙ্গে ঝামেলা এড়াতে ব্যাঙ্কিং, বীমা আর কিছু নির্দিষ্ট খাতের কোম্পানির ওপরও বেশ কিছু বিধিনিষেধ রাখছে বোর্ড।