মুখের চামড়া ঝুলে যায় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। আবার অনেকের অকাল বার্ধক্য এসে যায়। অল্প বয়সেই মুখের চামড়ায় ভাঁজ এসে যায়। ঝুলে যায়। কিন্তু নিয়মিত পরিচর্যা করলে এর হাত থেকে রক্ষা পাবেন। চামড়া থাকবে টানটান।মুখে কিছু ফেসিয়াল অয়েল ব্যবহার করলেই দারুন কাজ পাবেন।

রোজ়হিপ অয়েল। এই তেল একটু ব্যয় সাপেক্ষ। প্রায় ৩ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতায় রোজ়হিপ গাছ জন্মায়। অনেক গুণ রয়েছে রোজ়হিপ অয়েলে। ভিটামিন সি ও ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় মুখের গ্লো বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া চামড়া সতেজ হয়ে উঠবে এবং টানটান হবে। ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ করে। তাই পকেট পারমিট করলে রোজ়হিপ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়া ভিটামিন ই অয়েল ত্বকের জন্য দারুন কার্যকরী। মূলত ভিটামিন ই ক্যাপসুল পাওয়া যায় তা একটা ক্যাপসুল অথবা দুটো ক্যাপসুল কেটে সেই তেলের সাথে সামান্য পরিমাণ এলোভেরা জেল মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে মুখে মাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ভীষণ উপকার পাবেন।

এর সাথে ডায়েটে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। ভিটামিন ই অয়েল ত্বকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। চন্দন তেল মুখে মাখলেও চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করা যায়। ‌ ফেসিয়াল অয়েল হিসেবে চন্দন তেল ব্যবহার হয়। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং বলিরেখা কমায়, ত্বকের মধ্যে কালচে ছোপ দূর করতে সাহায্য করে চন্দন তেল। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এই তেল। তাই নিয়মিত চন্দন তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। টক হয়ে উঠবে ঝকঝকে চন্দনের মতই।

এছাড়া প্রতিদিন পরিশুদ্ধ নারকেল তেল মুখে মেসেজ করে নেন ঘুমানোর আগে। কিছুক্ষণ রাখার পর মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মেখে নিন।

অলিভ অয়েল ত্বক চকচকে করে এবং টানটান করে। নারকেল তেলের সাথে সামান্য পরিমাণ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন অথবা শুধু অলিভ অয়েল কয়েক ফোঁটা নিয়ে মুখে মেসেজ করলেও হবে। কাজ পাবেন। কয়েকদিন ব্যবহার করলে বুঝতে পারবেন উপকারিতা।

তাই বয়স বৃদ্ধি হলেও ত্বককে টানটান করতে ঘরোয়া এই পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করলে উপকার পাবেন।