ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি বিজয়া একাদশী নামে পরিচিত। এই দিনে পুজো করা হয় শ্রী হরির। বিজয় অর্জনের জন্য বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হয় এই পুজোকে। পদ্ম পুরাণ এবং স্কন্দ পুরাণে এই দিনের উপবাসের বিশেষ বর্ণনা পাওয়া যায়। কথিত আছে, যখন একজন ব্যক্তি শত্রুদের মধ্যে আটকে পড়ে, তখন বিজয়া একাদশীর উপবাস করলে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতেও বিজয় পাওয়া সম্ভব। বিজয়া একাদশী সকল প্রকার পাপ নাশ করে।

পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৪ সালে ফাল্গুন কৃষ্ণপক্ষের একাদশী ৬ মার্চ সকাল ০৬:৩০ মিনিটে শুরু হয়ে শেষ হবে ৭ মার্চ ৪:১৩ মিনিটে। হিন্দু ধর্মে উদয়তিথি অনুসারে পালন করা হয় একাদশীর উপবাস। কিন্তু একাদশী তিথি দুই দিন ধরে পড়লে, গৃহস্থ জীবনের মানুষদের একাদশীর উপবাস পালন করা উচিত প্রথম দিনে। অর্থাৎ ৬ মার্চ বিজয়া একাদশী উপবাস পালন করা ভালো। অন্যদিকে ৭ মার্চে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষেরা বিজয়া একাদশীর উপবাস করবে।

বিজয়া একাদশীর দিন স্নান করে উপবাস করতে হয়। বাড়ির বাল গোপালকে শ্রী হরি রূপে পুজো করতে হবে। গলার গয়না, ফুল এবং কাপড় দিয়ে সাজিয়ে গোপী চন্দনের তিলক লাগাতে হবে। তুলসীর সঙ্গে কলা, মাখন এবং চিনির মিছরি নিবেদন করতে হবে। এই দিনে বিষ্ণু সহস্ত্রনাম পাঠ করা হলে দেবী লক্ষ্মী ঘরে থাকেন। আরতির পর প্রসাদ বিতরণ করে রাত জাগরণ ও গীতা পাঠ করতে হবে। এদিন একটি গোয়ালঘরে গরু পরিচর্যার জন্য অর্থ দান করা শুভ।