উত্তরাখণ্ডে ধুমধাম করে পালন করা হয় হরেলা উৎসব। শ্রাবণ মাসের আগমনের বার্তা হিসেবে পালন করা হয় হরেলা উৎসব। দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের একটি লোক উৎসব হল হরেলা, যা প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত। সূর্য দেবতা কর্কট রাশিতে প্রবেশ করলে পালন করা হয় হরেলা উৎসব। ২০২৪ সালে হরেলা উৎসব পালন করা হয় ১৬ জুলাই, মঙ্গলবার। উত্তরাখণ্ডকে বলা হয় শিবভূমি, কারণ এখানে রয়েছে কেদারনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ এবং মহাদেবের শ্বশুরবাড়ি, তাই হরেলা উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর পুজো করা হয় এই দিনে।
তিথির ৯ দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা হয় হরেলা উৎসবের। বাড়িতে মাটি বা বাঁশের তৈরি ঝুড়িতে ৯ দিন আগে বপন করা হয় হরেলা। ৭ ধরনের শস্য, গম, যব, ভুট্টা, মসুর, উরদ ও সরিষা - এগুলো বপন করা হয়। হরেলা বপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় পরিষ্কার মাটি। বপনের পর ৯ দিন ধরে হরেলার যত্ন নেওয়া হয় এবং দশম দিনে ভালো ফসলের জন্য কামনা করে এটি কেটে উৎসর্গ করা হয় দেবতাদের।
পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই থেকে শুরু হবে শ্রাবণ মাস। শ্রাবণ মাসের শুরুকে হরেলা উৎসব হিসেবে পালন করা হয় উত্তরাখণ্ডে। সাধারণত বছরে তিনবার তথা চৈত্র, শ্রাবণ ও আশ্বিন মাসে পালন করা হয় এই উৎসব। তবে শ্রাবণ মাসের হরেলা উৎসব বেশি জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে মানুষ কানের পিছনে হরেলা খড় রেখে প্রার্থনা করার সঙ্গে সারা দিন গাছ লাগানোর কাজ করে।