ভগবান গণেশকে বলা হয় জ্ঞানের প্রতীক। জ্ঞানের দেবতা হওয়ার পাশাপাশি জীবনের সমস্ত বাধা ও বিপত্তি দূরকারী বলে মনে করা হয় ভগবান গণেশকে। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালন করা হয় হেরাম্বা সংকষ্টী চতুর্থী উৎসব। ভগবান গণেশের পুজো করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ভগবান গণেশের ৩২টি রূপের মধ্যে হেরম্বা রূপকে উৎসর্গ করা হয় এই দিনটি। ভাদ্রমাসের হেরাম্বা সংকষ্টী চতুর্থী পালন করা হবে ২২ আগস্ট। বহুলা চৌথও পালন করা হবে এদিনে।
যেকোনও পুজো করার আগে দেবতাদের মধ্যে প্রথমে পুজো করা হয় ভগবান গণেশের। পঞ্জিকা অনুসারে, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থী তিথি শুরু হবে ২২ আগস্ট দুপুর ০১:৪৬ মিনিটে এবং শেষ হবে পরের দিন ২৩ আগস্ট সকাল ১০:৩৮ মিনিটে। সন্ধ্যায় পুজোর শুভ সময় শুরু হবে ২২ আগস্ট সন্ধ্যা ০৫:১৭ মিনিট থেকে রাত ০৯:৪১ মিনিট পর্যন্ত এবং সকালের পুজোর শুভ সময় শুরু হবে ২৩ আগস্ট সকাল ০৬:০৬ মিনিট থেকে সকাল ০৭:৪২ মিনিট পর্যন্ত। ভাদ্রমাসে গণপতি বাপ্পা জন্মগ্রহণ করার জন্য এই মাসে গণপতি বাপ্পার পুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালন করা হয় গণেশ চতুর্থী এবং ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। ভাদ্রমাসে গণপতি বাপ্পার পুজো করলে দুঃখ, কষ্ট, রোগ ও দোষ দূর হয়। এই দিনে ব্রহ্মমুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে পরিষ্কার হলুদ রঙের পোশাক পরতে হয়। এরপর নিয়ম মেনে ভগবান গণেশের পুজো করে উপবাসের প্রতিজ্ঞা নিতে হয়। ভগবান গণেশকে অর্পণ করতে হয় ফুল, ফল, সিঁদুর, অক্ষত, মালা এবং দূর্বা। ভগবান গণেশের সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে গণেশ মন্ত্র জপ করে ভগবানের আরতি করতে হয়। রাতে চাঁদকে অর্ঘ্য নিবেদন করে ভঙ্গ করা হয় উপবাস।