আরবি ‘আশারা’ থেকে আশুরা শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ হচ্ছে দশ। আরবি মহরম মাসের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলে অবহিত করা হয়। আদিকাল থেকেই যুগে যুগে আশুরা দিবসে বহু স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যা পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরিফ থেকে জানতে পারা যায়। হাদিসে এসেছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেদিন আকাশ, বাতাস, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাউহে মাহফুজ ও যাবতীয় সৃষ্টি-জীবের আত্মা সৃষ্টি করেছিলেন সে দিনটি ছিল ১০ মহরম তথা পবিত্র আশুরার দিন। আবার এই একই দিনে কোনো এক জুমাবারে হজরত ইসরাফিল (আ.) এর ফুৎকারে নেমে আসবে মহাপ্রলয়। পবিত্র কোরআনের ভাষায় যাকে বলা হয় কেয়ামত।
ইসলামের আরও অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে আশুরার দিনেই। যেমন আদি পিতা হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয় এ দিনে। এ দিনেই হজরত আদমকে (আ.) জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। আবার ভুলের কারণে এই একই দিনে পৃথিবীতে প্রেরণের পর তার তাওবা কবুল করা হয়। ঠিক একইভাবে আশুরার দিনে মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.) জন্মগ্রহণ করেন, আবার এদিনেই নমরুদের বিশাল অগ্নিকুণ্ড থেকে মুক্তিলাভ করেন তিনি। এই আশুরাতেই তুর পাহাড়ে আল্লাহর সঙ্গে হজরত মুসার (আ.) কথোপকথন ও আসমানি কিতাব ‘তাওরাত’ লাভ করেন, আবার এই ১০ মহরমেই দলবলসহ ফেরাউনের নীলনদে সলিলসমাধি হয়।
আশুরার এই শুভ দিনে আপনাদের জন্য লেটেস্টলি বাংলার (Latestly Bangla) র তরফ থেকে রইল শুভেচ্ছা বার্তা। এই শুভেচ্ছা বার্তা ছড়িয়ে দিন বন্ধুদের মধ্যে আর সকলে পালন করুন এই দিনটি।




