Durga Puja 2025: হাতে আর মাত্র ৪ দিন। তারপরই বাঙালি মেতে উঠবে দুর্গা পুজোর (Durga Puja) আনন্দে। সনাতন ধর্মে দুর্গা পুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ষষ্ঠীর বোধন থেকে দশমীর সিঁদূর খেলা, দুর্গা পুজোর একাধিক বিধি রয়েছে। দুর্গা পুজোর গুরুত্ব যেমন অপরিসীম, তেমনি বাঙালি পরিচিত তাঁদের সিঁদূর খেলার জন্যও। ফলে দুর্গা পুজো নিয়ে বাঙালির যে আবেগ, তা একেবারে অনন্য।
দুর্গা পুজোর যে ধরনের বিশেষ রীতি রয়েছে
দুর্গা পুজোর প্রথমেই রয়েছে বিল্ব পত্র অর্থাৎ বেল পাতার নিমন্ত্রণ। বিল্ব পত্র নিমন্ত্রণের মাধ্যমে দুর্গা পুজোর সূচনা হয়। ফলে দুর্গা পুজোয় বেল পাতার অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। বেল পাতা দিয়ে দুর্গা পুজোর সূচনার বিশেষ রীতি রয়েছে।
ষষ্ঠীর বোধন
দুর্গা পুজোর প্রথম দিনে হয় বোধন। দেবীর আগমণ উপলক্ষ্যে যে সমস্ত রীতি পালন করা হয়, তাকেই বোধন বলে।
সপ্তমী পুজো
ষষ্ঠীর পর সপ্তমীতে হয় নবপত্রিকা স্নান। নবপত্রিকা স্নানের আগে গঙ্গার ঘাটে যাওয়া হয়। যেখানে নদী নেই, তাঁরা পুকুরে যান এই রীতি পালনের জন্য।
অষ্টমী পুজো
অষ্ঠমী পুজোর একটি বিশেষ রীতি রয়েছে। প্রত্যেক বাঙালির ঘরে এই মহাষ্টমী পুজোর রীতি রয়েছে। কথিত আছে, এই দিন দেবীকে বৈষ্ণবী রূপে পুজো করা হয়। বেলুড় মঠে হয় কুমারী পুজো।
নবমী পুজো
অষ্টমীর পর শাক্ত মতে নবমীতে পুজো করা হয় দেবী দুর্গার। এই দিন বহু জায়গায় বলি প্রথা রয়েছে। পশু বলি নয়, শাক, সবজি বলি দিয়ে মা দুর্গার পুজো সম্পন্ন হয়।
দশমীর পুজো রীতি
দশমীতে হয় মায়ের বিদায়। চোখের জলে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। পান পাতা, মিষ্টি, সিঁদূরে বরণ করা হয় দেবী দুর্গাকে। বরণের পর দেবীকে বিদায় জানানো হয়। অনেক জায়গায় এই দিন পান্তা ভাত এবং কচু শাক খাক খাইয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হয়। সেই সঙ্গে যাত্রা মঙ্গল পড়িয়ে সবার মঙ্গল কামনা করা হয়।