Kasganj Murder: ফের প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে ফিল্মি কায়দায় স্বামীকে খুন, গ্রেফতার স্ত্রী
এরপরই তদন্তে নেমে ইট ভাঁটার কাছ থেকে একটি পোড়া দেহ উদ্ধার হয়।
নয়াদিল্লিঃ ফের প্রেমিকের (Boyfriend) সাহায্য নিয়ে স্বামীকে (Husband) খুনের (Murder) অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়া হল আগুন। ইতিমধ্যেই খুনের দায়ে গ্রেফতার অভিযুক্ত স্ত্রী। পলাতক প্রেমিক। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে কাসগঞ্জে। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ইউসুফ খান। বয়স ২৯। আলিগড়ের ধনাসারি এলাকার বাসিন্দা। ৯ বছর আগে তবাসুম নামে এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। ইউসুফ ও তবাসুমের দু'টি সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, সম্প্রতি দানিশ নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী তাবাসুম। সেই প্রেমিকের সাহায্য নিয়েই ইউসুফকে খুন করে তাবাসুম।
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী
পুলিশ সূত্রে খবর, স্বামীকে কুপিয়ে খুন করে তাবাসুম। এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মৃতদেহ লুকিয়ে রাখা হয় কাসগঞ্জ এলাকার একটি ভাঁটার কাছে। জানা গিয়েছে, গত ২ অগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন ইউসুফ। সন্ধান না পেয়ে আলিগড়ের ছররা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে ইউসুফের পরিবার। এরপরই তদন্তে নেমে ইট ভাঁটার কাছ থেকে একটি পোড়া দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ইউসুফের পরিবারকে ঘটোনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁরাই সেটিকে ইউসুফের দেহ বলে সনাক্ত করে। এরপরই তদন্ত এগোলে তবাসুমের সঙ্গে দানিশের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পারে পুলিশ। তবাসুমকে জিজ্ঞাসবাদ করতেই উঠে আসে সমস্ত সত্যি। পুলিশকে সে জানায়, প্রেমিক দানিশের সাহায্য নিয়ে স্বামীকে খুন করেছে সে। এরপরই তবাসুমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক দানিশ। তাকে খুঁজছে পুলিশ।
ফের প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে ফিল্মি কায়দায় স্বামীকে খুন, গ্রেফতার স্ত্রী
दोनों हाथ बांधे... फाड़ दिया पेट, पूरे शरीर पर डाला तेजाब, सिर के बाल गायब; पत्नी ने प्रेमी संग किया कत्ल https://t.co/RnjiCpdPVA Click this Link For More Update... pic.twitter.com/iEWxf4OY6A
— SBJ NEWS (@NewsSbj) August 4, 2025
(The above story first appeared on LatestLY on Aug 05, 2025 09:33 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

