আজাদ সমাজ পার্টির সাংসদ তথা সুপ্রিমো চন্দ্রশেখর আজাদের মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত প্রয়াগরাজের (Prayagraj) করচনা থানা এলাকা। পুলিশের ওপর চড়াও হয় লক্ষাধিক কর্মী সমর্থক। কার্যত ঘন্টাখানেক ধরে ইটবৃষ্টি চলে ওই এলাকায়। আহত হন একাধিক পুলিশকর্মী। তাঁদের তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইট-পাথর, লাঠি দিয়ে ভাঙচুর চালানো হয় পুলিলের গাড়ির ওপর। এমনকী আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের গাড়িতে। পাল্টা পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরবর্তীকালে পুলিশের বিরাট বাহিনী এলাকায় চলে আসে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনও থমথমে রয়েছে এলাকা।
দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বাধা পুলিশের
রবিবার করচনা থানা এলাকার ইসোটা গ্রামে যাওয়ার কথা ছিল নাগিনা কেন্দ্রের সাংসদ। সেখানে এক দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। গত ১৩ এপ্রিল দেবী শঙ্কর নামে বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তিকে খুন করে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল একদল মানুষ। অভিযোগ, দলিত হয়ে এক উচ্চবর্ণের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল সে। সেই কারণে তাঁকে পরিকল্পনা করে নৃশংসভাবে খুন করে ওই গ্রামের কিছু মানুষ। রবিবার সেই দেবী শঙ্করের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা ছিল চন্দ্রশেখরের।
চন্দ্রশেখর আজাদের মিছিলে পুলিশি বাধা
অভিযোগ, তিনি মিছিল করে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাতে বাধা দেয়। আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভীম আর্মির কর্মী সমর্থকরা। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি থমথমে হলেও পুলিশ নিরাপত্তা দিচ্ছে ওই এলাকায়। যমুনা নগরের ডিসিপি বিবেক চন্দ্র যাদব জানিয়েছে, “পুলিশ হামলাকারীদের সনাক্ত করছেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে”।