ISI Agent Arrested In Varanasi: ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাচার করতে গিয়ে ধৃত আইএসআই চর, বারাণসীতে চাঞ্চল্য
প্রতীকী ছবি(Photo Credit: ANI)

লখনউ, ২০ জানুয়ারি: দিনের পর দিন ভারতীয় সেনা বাহিনীর গোপন তথ্য সুকৌশলে সংগ্রহ করে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-কে (ISI) চার করাই ছিল তার কাজ। বারণসীতে সিআরপিএফ জওয়ানদের হাল হকিকত, কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি, ঘাঁটির ছবি সবকিছুই পাচার হচ্ছিল পাকিস্তানে পাচার করছিল রশিদ আহমেদ নামে আইএসআই-এর এক চর। এতদিনে তাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করল গোয়েন্দা দপ্তর ও বারণসীর সন্ত্রাস দমন শাখার কর্তারা (ATS)। জেরায় ধৃত রশিদ স্বীকার করেছে যে সে দুবার পাকিস্তানে গিয়ে আইএসআই-এর থেকে চরবৃত্তির প্রশিক্ষণও নিয়ে এসেছে। জানা যাচ্ছে, পাক গোয়েন্দাদের সঙ্গে এই রশিদ আহমেদের নিত্য যোগাযোগ রয়েছে।

দিনকয়েক আগেই দিল্লিতে আইএস-মডিউলের সন্ধান পেয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ইসলামিক স্টেটের (IS) তিন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে হাতেনাতে পাকড়াও করেছিল দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা। এবার বারাণসীতে আইএসআই-এর চর ধরা পড়তেই আশঙ্কার জাল আরও ঘনীভূত হল। তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, ২৩ বছরের রশিদের মোবাইল থেকে ভারতীয় সেনা ঘাঁটির অজস্র ছবি ও ভিডিও মিলেছে। কিন্তু নথিপত্রও উদ্ধার হয়েছে তার কাছ থেকে যেগুলি সন্দেহজনক। তার থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, আইএসআই হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে রশিদের। আরও পড়ুন-West Bengal Weather Update: ফের হাড় কাঁপানো উত্তুরে হাওয়া, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এড়িয়ে তবে কি ফিরছে শীত?

তবে রশিদ প্রথম নয়, এর আগেও আইএসআই মদতপুষ্ট এজেন্ট পাকড়াও হয়েছিল গত বছর দিল্লি থেকে। দিল্লির বাসিন্দা মহম্মদ পারভেজ। পুলিশের দাবি ছিল, জেরার মুখে পারভেজ স্বীকার করে চরবৃত্তির কাজে গত আঠারো বছরের মধ্যে সতেরো বার পাকিস্তানে গিয়েছিল সে। মধুচক্রের সাহায্যে সেনা আধিকারিকদের ফাঁসিয়ে তাঁদের কাছ থেকে গোপন নথিপত্র হাতিয়ে নিত পারভেজ। এর পর মোটা টাকার বিনিময়ে সেসব আইএসআইয়ের হাতে তুলে দিত সে। উপত্যকায় ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর থেকেই প্রতিহিংসায় ফুটছে পাকিস্তান। চিনকে সঙ্গে নিয়েও নয়াদিল্লিকে তেমন বিপাকে ফেলতে পারেনি ইসলামাবাদ। রাষ্ট্রপুঞ্জেও ইমরানের কুমীরের কান্নায় কেউ পাত্তা দেয়নি। এখন লাগাতার নাশকতা চালিয়ে ভারতীয় সেনার মনোবল ভেঙে দিতই উঠেপড়ে লেগেছে ইসলামাবাদ। সেকারণেই চরবৃত্তি বেড়ে চলেছে।