হায়দরাবাদ, ৩১ জুলাই: ভারতবর্ষে (India) নিষিদ্ধ বাল্য বিবাহ (Child Marriage)। কন্যা শিশুদের ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাদের কিছুতেই বিয়ে দেওয়া যাবে না। এমন নিয়ম থাকলেও, অনেকেই যে তাতে বুড়ো আঙুল দেখাতে শুরু করেছেন, তা তেলাঙ্গানার এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট।
রিপোর্টে প্রকাশ, তেলাঙ্গানার (Telangana) বছর ৪০-এর এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হল ১৩ বছরের এক কিশোরীকে। অষ্টম শ্রেমির পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে বিয়ে করেন মাঝ বয়সী ব্যক্তি। চুপচাপ সেই বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী যে স্কুলে পড়ত, সেখানকার এক শিক্ষক পুলিশের দ্বারস্থ হন। তিনিই ওই বিয়ের প্রতিবাদ জানান এবং ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের আবেদন জানান থানায়।
হায়দরাবাদ থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে নন্দীগামা বলে একটি জায়গা রয়েছে। সেই নন্দীগামায় যখন ১৩ বছরের কিশোরীর সঙ্গে ৪০ বছরের মাঝ বয়সীর বিয়ে দেওয়া হয়, সেই কাজে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে ওই বিয়ের পুরোহিতকেও পুলিশ গ্রেফতার করে বলে জানা যায়।
এই অসামঞ্জস্য বিয়ের বিষয়ে পুলিশের হাতে যে ছবি সমেত অভিযোগ জমা পড়ে, তা দেখে চোখ কপালে ওঠে সবার। ওই ছবিতে দেখা যায়, মালা হাতে ওই ছাত্রী এবং অসমবয়সের ওই ব্যক্তি। তাঁদের সঙ্গে বিয়ের পুরোহিত এবং মাঝ বয়সী ব্যক্তির স্ত্রীও দাঁড়িয়ে। এমন ছবিও দেখা যায়।
ভারতবর্ষে বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ। ২০০৬ সালে এই আইন নিয়ে আসে ভারত সরকার। তার পরও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে বাল্য বিবাহ প্রস্ফূটিত হচ্ছে, তা দেখে অবাক হন বহু মানুষ।