মুম্বই, ২ জুলাই: এবার শিক্ষিকার (Teacher) উপর উঠল ঘোরতর অভিযোগ। যে শিক্ষিকা অ্যান্টি অ্যানজাইটির ওষুধ দিয়ে এক কিশোরের উপর যৌন অত্যাচার চালাত। শুনতে অবাক লাগলেও, মুম্বইয়ের ওই শিক্ষিকা নিজের শিক্ষকতার কাজকে চরম লালসার পর্যায়ে নিয়ে যায়। অ্যান্টি অ্যানজাইটির (Anti-Anxiety Tablets) ওষুধ দিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরের বিভিন্ন সময়ে অসময়ে যৌন অত্যাচার (Sexually Assaulted ) চালাত ওই শিক্ষিকা। মাত্র ১৬ বছরের কিশোরকে বিভিন্ন অছিলায়, উৎসব, অনুষ্ঠানে তুলে নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে যৌনতায় (Sex) মত্ত হত। পড়ুয়ার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে গত ১ বছর ধরে ওই শিক্ষিকার এই কুকীর্তি চলছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
মুম্বইয়ের (Mumbai Teacher) যে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ছাত্রকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে একটানা, সে বিবাহিত এবং এক সন্তানের মা। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ওই শিক্ষিকাকে পকসো ধারায় গ্রেফতার করে এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করে মামলা।
আরও পড়ুন: Mumbai: যৌনতায় চরম লালসা, কিশোর পড়ুয়াকে বিছানায় পেতে পীড়াপিড়ি শিক্ষিকার, খবর মিলতেই..
পুলিশ সূত্রে খবর, যে শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে ইংরেজি পড়ায়। একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ইংরেজির শিক্ষিকা বলে জানা যাচ্ছে পুলিশ সূত্রে। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের সময় একাধিক ছাত্রের সঙ্গে নিজে থেকে পরিচিত হত ওই শিক্ষিকা। অভিযোগকারী ছাত্রের সঙ্গেও ২০২৩ সালে তার পরিচয়। এরপর বিভিন্ন অছিলায় ওই পড়ুয়াকে ডেকে নিয়ে ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত ছাত্রকে যৌন হেনস্থা করেছে বলে শিক্ষিকার উপর অভিযোগ ওঠে।
জানা যায়, সম্প্রতি ওই পড়ুয়া কোনওভাবেই স্কুলের শিক্ষিকাকে পাত্তা দিচ্ছিল না। ফলে ওই শিক্ষিকা নিজেরই এক মহিলা বন্ধুর দ্বারস্থ হয় এবং গোটা ঘটনার কথা খুলে বলে। কোনওক্রমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং পুলিশের কানে পৌঁছ যায়। এরপরই পুলিশ ওই শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত যখন ২০২৩ সালে হয়, সেই সময় ওই পড়ুয়াকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় যাওয়ার কথা বলে শিক্ষিকা। তার কথা মত সংশ্লিষ্ট কিশোর সেখানে গেলে, তাকে নগ্ন করে দেওয়া হয় পোশাক খুলিয়ে। তারপর চলে যৌন হেনস্থা। ওই কিশোর এরপর ভয়ে কাঁপতে শুরু করলে, শিক্ষিকা তাকে অ্যান্টি অ্যানজাইটির ওষুধ দেয়।
এরপর ওই কিশোরকে দক্ষিণ মুম্বইয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে নিয়ে যায় শিক্ষিকা। সেখানেও তাঁকে মত্ত অবস্থায় জোর করে নিজের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত করে বলে অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার ব্যবহার যখন ক্রমশ পালটে যাচ্ছিল, সেই সময় পরিবারের নজরে আসে। এরপর পরিবারই কোনওভাবে নিজেদের ছেলেকে ওই শিক্ষিকার খপ্পর থেকে রক্ষা করে এবং সোজা থানায় গিয়ে দায়ের করে অভিযোগ।