দিল্লি, ১ অক্টোবর: যত দিন গড়াচ্ছে, তত প্রকাশ পাচ্ছে স্বামী চৈতন্যনন্দ সরস্বতীকে (Swami Chaitanyananda Saraswati) নিয়ে বিতর্ক। স্বামী চৈতন্যনন্দ সরস্বতী সব সময় সেক্স (Sex) পার্টনার খুঁজত। এমনকী দুবাই (Sheikh From Dubai) থেকে আসা শেখদের জন্যও সেক্স পার্টনার খুঁজতে এই স্বঘোষিত গুরু। বাবাডির হোয়াটস অ্যাপের চ্য়াট থেকে এঅমন তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।
চৈতন্যনন্দ সরস্বতীর বিরুদ্ধে যে ১৭ জন পড়ুয়া অভিযোগ দায়ের করেন, তাঁদের একজনের কথোপকথন প্রকাশ্যে আসার পর এমন খবর জানা যায়। যে হোয়াটস অ্যাপ তথ্যে চেতন্যনন্দ সরস্বতীকে যা বলতে শোনা যায়, তা দেখে চোখ কপালে উঠছে তদন্তকারীদের।
দেখুন চৈতন্যনন্দর নোংরা চ্যাট
চৈতন্যনন্দ- দুবাই থেকে আসা শেখ সেক্স পার্টনার খুঁজছে। তোমার কোনও বন্ধু আছে?
ভক্তভোগী তরুণী- কেউ চেনা পরিচিত নেই।
চৈতন্যনন্দ- এটা কেমন করে সম্ভব?
ভক্তভোগী তরুণী- আমি জানি না।
চৈতন্য়নন্দ- তোমার কোনও সহপাঠী বা কলেজের জুনিয়র নেই?
এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসে কলেজের ওই তরুণীর চ্যাট থেকে। অন্য আরও একটি কথোপকথন থেকে চৈতন্যনন্দর নানা কীর্তি প্রকাশ্যে আসে। যেখানে এক ছাত্রীকে চৈতন্যনন্দ 'সুইট বেবি ডটার ডল' বলে সম্মোধন করে। পাশাপাশি ওই তরুণীকে নানা ধরনের অশ্লীল মেসেজও পাঠাত দিল্লির ওই স্বঘোষিত বাবাজি।
অন্য একটি চ্যাট থেকে চৈতন্যন্দকে বলতে শোনা যায়...
বেবি
বেবি তুমি কোথায়?
গুড মর্নিং বেবি
তুমি কি আমার উপর রাগ করেছ?
আরও একটি চ্যাট থেকে সামনে আসে চৈতন্যনন্দর অশ্লীল কথোপকথন
গুড ইভিনিং মাই বেবি ডটার ডল
তুমি এখনও আমার সঙ্গে বিছানায় আসোনি।
এমন সব নানা ধরনের নোংরা, অশ্লীল চ্যাট করতে দেখা যেত চৈতন্যনন্দ সরস্বতীকে। যা প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে জোর চাঞ্চল্য শুরু হয়।
চৈতন্য়নন্দর গ্রেফতারি
গত রবিবার চৈতন্যনন্দ সরস্বতীকে গ্রেফতার করা হয় উত্তরপ্রদেশের আগ্রা (Agra) থেকে। আগ্রার তাজ গঞ্জ এলাকার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয় ওই স্বঘোষিত বাবাজিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারি এড়াতে গত ২ মাস ধরে বৃন্দাবন, মথুরা, আগ্রায় ঘুরে বেড়ানো শুরু করে। কোনওভাবেই ওই স্বঘোষিত গুরুকে পুলিশ পাকড়াও করতে পারছিল না।
এরপর গত ২৭ সেপ্টেম্বর আগ্রার তাজ গঞ্জ হোটেলের রুম নম্বর ১০১ থেকে চৈতন্যনন্দ সরস্বতী তথা পার্থ সারথী নামের ওই স্বঘোষিত গুরুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পার্থ সারথীর গ্রেফতারির পর তার আই প্যাড বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সেই সঙ্গে তার বিলাসবহু ভলভো গাড়িও পুলিশের তরফে গ্রেফতার করা হয়।