আজ ১৮ অগস্ট, সরকারি নথিতে ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্টকে নেতাজি সভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhash Chandra Bose) প্রয়াণদিবস হিসেবে ধরা হয়। তবে, নেতাজির মৃত্যু নিজেই একটি রহস্য। তাঁর মৃত্যু সম্পর্কিত কোনও প্রমাণ জনসমক্ষে পাওয়া যায়নি। সরকারী নথি অনুসারে, তিনি ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট জাপান (Japan) যাওয়ার পথে তাইহোকু বিমানবন্দরে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। কিন্তু, তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়নি কখনও। তবে ২০১৫-১৬ সালে ডিক্লাসিফাই হওয়া কিছু সরকারি ও গোয়েন্দা ফাইলে ১৯৪৫-এর ১৮ আগস্টের পর নেতাজির রাশিয়ায় অবস্থান, এমনকি ভারতের মাটিতে ফিরে আসার বিষয়ে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এসব ফাইল থেকে জানা যায়, ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নেতাজির পরিবারের সদস্যদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি ছিল।নেতাজির অন্তর্ধানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যে কয়টি থিওরি পাওয়া যায় তার মধ্যে প্রধান তিনটি হলো-এক. উড়োজাহাজ ক্র্যাশ থিওরি; দুই. রাশিয়ায় স্তালিনের কারাগারে নির্যাতনে মৃত্যু; তিন. সন্ন্যাসী হয়ে ভারতে ফিরে আসা।
আজ সেই অভিশপ্ত দিনটিকে সুভাষ চন্দ্র বোস স্মৃতি দিবস হিসাবে পালন করা হয়। তারই উদ্দেশ্যে রইল লেটেস্টলি বাংলার শ্রদ্ধার্ঘ-