বছরথানেক আগে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর সীমান্তে যে অবস্থা হয়েছিল, এবারে ঠিক একই ছবি দেখা যাচ্ছে ভারত-মেপাল সীমান্ত (India-Nepal Border) এলাকায়। পড়শি দেশের সীমান্ত লাগোয়া এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে নাগরিকরা। বিশেষ করে নেপালের জেলবন্দি দাগী অপরাধীরা এই সুযোগে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছে। তবে সশস্ত্র সীমা বল (SSB) কড়া নজর রেখে সীমান্ত এলাকায়। যার ফলে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৬০ জন নেপালের বাসিন্দাকে আটক করে ফেলেছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নেপালের জেলে বন্দি ছিল।

আটক একাধিক অনুপ্রবেশকারী

জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার উত্তরপ্রদেশ মিলিয়ে ৩৫ জনকে আটক করা হয়। যাঁদের মধ্যে ২২ জন উত্তরপ্রদেশ, ১০ জন বিহার ও ৩ জনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটক করা হয়েছে। তবে বেলা গড়াতেই এসএসবি-র তরফে এই সংখ্যাটি বাড়িয়ে ৬০ করা হয়েছে। যদিও কোনও রাজ্য থেকে কতজনকে আটক করা হয়েছে, সেই তথ্য এখনও সামনে আনেনি সশস্ত্র সীমা বল। সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশকারীদের কাছে কোনও বৈধ নথি ছিল না, এমনকী সেদেশের পরিচয়পত্রও ছিল না তাঁদের কাছে। জেরার মুখে তাঁকে সত্যি স্বীকার করলে ৬০ জনকেই আটক করা হয়।

জেল থেকে পালিয়েছে বন্দিরা

প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন ধরেই সোশাল মিডিয়া ব্যান নিয়ে উত্তপ্ত ছিল নেপাল। তবে ২৬টি অ্যাপের ওপর ব্যান তুলে দিলেও থামে না প্রতিবাদ। মূলত নেপালে কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই। আর সেই প্রতিবাদের আগুন সোমবার থেকে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বাধ্য হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করে। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় প্রধানমন্ত্রী। এরমধ্যেই কাঠমান্ডুর নাখু জেল, পোখরা ও জলেশ্বর জেল থেকে পালিয়ে গিয়েছে ৫০০-এর বেশি বন্দি