Lalu Prasad Yadav & Tejashwi Yadav (Photo Credit: X)

Waqf Law: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী 'মহাগঠবন্ধন' (Mahagathbandhan) জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)-কে। লালুপ্রসাদ যাদব পুত্রকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীকে হিসাবে মেনে নিয়েছে কংগ্রেস, ভিআইপি, বামদলগুলি। মুখ্যমন্ত্রী হতে নির্বাচনী প্রচারে বেশ পরিশ্রম করছেন তেজস্বী। বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ জোটও জোর প্রচার চালাচ্ছে। প্রথম দফার ভোটের মাঝে দিন দশেক বাকি আছে। তার আগে আরজেডি ঘোষণা করল, তেজস্বী যাদব মুখ্যমন্ত্রী হলে কেন্দ্রীয় সরকারের 'বিতর্কিত' ওয়াকফ সংশোধিত আইন প্রত্যাহার করা হবে। এক নির্বাচনী জনসভায় তেজস্বী যাদবের ওয়াকফ আইন নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে বললেন, "ওয়াকফ আইনকে ডাস্টবিনে ফেলে দেব!"

ওয়াকফ সংশোধিত আইন নিয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল বিহারে

ওয়াকফ আইন নিয়ে বিহারের মুসলিমদের একটা বড় অংশ ক্ষুব্ধ। অন্তত সংবাদমাধ্যমে এমন খবরই প্রকাশিত হয়েছে। পটনা সহ বিহারের নানা জায়গায় ওয়াকফ আইনের বড় প্রতিবাদও দেখা গিয়েছিল। এবারের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এখনও পর্যন্ত আরজেডি মোট ১৮ জন মুসলিম প্রার্থী দিয়েছে। সেখানে বিজেপি কোনও মুসলিমকে প্রার্থী করেনি।

দেখুন খবরটি

ওয়াকফ আইন নিয়ে কোথায় বিতর্ক হয়েছিল

চলতি বছর ৮ এপ্রিল থেকে নয়া ওয়াকফ আইন কার্যকর হয়। মোদী সরকারের দাবি, নয়া ওয়াকফ আইন স্বচ্ছতা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং মুসলিম মহিলা ও দরিদ্রদের কল্যাণের জন্য। কিন্তু মুসলিম সংগঠন, বিরোধী দলগুলি এর বিরুদ্ধে সরব হয়। মুসলিম সংগঠনগুলো (যেমন জামিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ, আল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড, জামাত-ই-ইসলামি হিন্দ) জানায়, নয়া ওয়াকফ আইন মুসলিমদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্পত্তির উপর আঘাত। প্রায় ২০ কোটি মুসলিমের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।