পরিচারিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে অবশেষে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন জেডিএস সাংসদ প্রজ্জ্বল রেভান্না (Prajwal Revanna)। শুক্রবার বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তারপরেই আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ.ডি দেবেগৌড়ার নাতি। গতবছর রেভান্নার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল ৪টি মামলা। যার মধ্যে একাধিক মহিলাকে ধর্ষণ, যৌন হেনস্থা, ব্ল্যাকমেল সহ একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তদন্তে উদ্ধার হয়েছিল অসংখ্য চাঞ্চল্যকর ভিডিয়ো ক্লিপ। দীর্ঘদিন ধরেই হাসান জেলার হোলেনারসিপুরার একটি ফার্মহাউসে এই কুকীর্তি চালাত প্রজ্জ্বল।
কী বলছেন আইনজীবী?
এদিন মামলাকারীর আইনজীবী এইচ.কে জগদীশ বলেন, “আদালত সমস্ত তথ্যপ্রমাণ পরীক্ষা করে দেখেছে। যার সঙ্গে ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ, ভুক্তোভোগীর বক্তব্যও রয়েছে। এই মামলায় মোট ২৬ জনের বক্তব্য পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ১৮০টি তথ্যপ্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সবকিছুর ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত”।
প্রজ্জ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগেই হাসানের জেডিইউ সাংসদ প্রজ্জ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে ওঠে ধর্ষণের অভিযোগ। প্রজ্জ্বল ওই এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর দাদু অর্থাৎ এইচ.ডি দেবেগৌড়া দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বাবা এইচ.ডি রেভান্না ছিলেন রাজ্যের বিধায়ক। কাকা এইচ.ডি কুমারস্বামী লোকসভার সাংসদ। এনডিএ শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ অংশ জেডিইউ থেকে হাসানের পদপ্রার্থীও ছিলেন তিনি। এরমাঝেই তাঁর কয়েকটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে চলে আসে। তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করে কর্ণাটক পুলিশ।