Possible Repeat of Kargil War?: আবারও কার্গিল যুদ্ধের হাতছানি! সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ৬০০ জন পাকিস্তানি সেনার, তথ্য প্রকাশ করে দাবি ডঃ আমজাদ আইয়ুব মির্জার

পাহাড়ের গুহায় লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী ও পাকিস্তানি সেনাদের নির্মূল করতে অপারেশন সর্প বিনাশ ২.০ শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যা গত ২১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান হতে চলেছে। এই অভিযানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে চলছে

Possible Repeat of Kargil War?: আবারও কার্গিল যুদ্ধের হাতছানি! সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ৬০০ জন পাকিস্তানি সেনার, তথ্য প্রকাশ করে দাবি ডঃ আমজাদ আইয়ুব মির্জার
Photo Credit: X@gorockgo_100

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) একজন সুপরিচিত কর্মী ডঃ আমজাদ আইয়ুব মির্জা সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরে ক্রমাগত সন্ত্রাসবাদী হামলার বিষয়ে একটি বড় তথ্য প্রকাশ করেছেন৷ তিনি বলেছেন, এসব হামলা জঙ্গিরা নয়, পাকিস্তানি সেনারা করছে। আমজাদ মির্জার মতে, পাকিস্তানের এসএসজি জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (GOC) মেজর জেনারেল আদিল রহমানি জম্মু অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছেন।তিনি আরও তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে একটি সম্পূর্ণ এসএসজি ব্যাটালিয়ন ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে, যার অর্থ কমপক্ষে ৬০০জন কমান্ডো কুপওয়ারা এলাকায় এবং অন্য কোথাও লুকিয়ে আছে। তিনি এই তথ্য দিয়ে বলেছেন যে কুপওয়ারা এলাকাটি পীরপাঞ্জাল এবং শামসবাড়ি পর্বতের মাঝখানে অবস্থিত, যা সন্ত্রাসবাদী এবং পাকিস্তানি সেনাদের লুকানোর জন্য খুবই সহায়ক।এর পাশাপাশি ডঃ আমজাদ আরও বলেছেন যে স্থানীয় জিহাদিরাও এই হামলায় সন্ত্রাসবাদী ও পাকিস্তানি সেনাদের সমর্থন করছে। এই স্থানীয় জিহাদি স্লিপার সেলগুলি জম্মু ও কাশ্মীরে পুরোপুরি সক্রিয় এবং ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে এসএসজি-এর আন্দোলনে সহায়তা করছে। আমজাদের মতে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহীদ সেলিম জানজুয়া বর্তমানে জম্মুতে হামলার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৫ কর্পস (XV Corps) কে মোকাবেলা করা।

 

 XV Corps বা ১৫ কর্পস বা চিনার কর্পস নামে পরিচিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই বাহিনী বর্তমানে শ্রীনগরে অবস্থিত এবং কাশ্মীর উপত্যকায় সামরিক অভিযানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। ডাঃ আমজাদ বলেছেন যে, এসএসজির আরও দুটি ব্যাটালিয়ন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদে রয়েছে, যারা  জম্মু ও কাশ্মীর হয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের জন্য প্রস্তুত। এক একটি  ব্যাটালিয়ন প্রায় ৫০০ সৈন্য নিয়ে গঠিত। পাকিস্তানের এই ব্যাটালিয়নগুলোও যদি স্থানীয় জিহাদিদের সহায়তায় ভারতে প্রবেশ করে, তাহলে আবারও পীর পাঞ্জাল পাহাড়ে কারগিলের মতো যুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে।

অপারেশন সর্প বিনাশ ২.০

বিশেষজ্ঞদের ধারণা ভারতও এ বিষয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট পেয়েছে যার ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ৪ বছর পর এই এলাকায় ফিরেছে। আগে এখানে শুধু সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) মোতায়েন ছিল। ২০২০ সালে চীনের সাথে সংঘর্ষের পরে, জম্মু অঞ্চল থেকে সৈন্যদের সরিয়ে লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখায় (LOC) মোতায়েন করা হয়েছিল। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই  ভারতীয় সেনাবাহিনী এই এলাকায় ৩০০০প্যারা স্পেশাল ফোর্স( PERA SF),৫০০ কমান্ডো, ২০০ স্নাইপার এবং অবশিষ্ট জম্মু ও কাশ্মীর( J&K) এর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করেছে এবং উড়িষ্যা থেকে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী( BSF)-এর দুটি ব্যাটালিয়নও জম্মুতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া একটি হেডকোয়ার্টার ব্রিগেড, তিনটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন এবং কিছু এলিট প্যারা স্পেশাল ফোর্সের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।এছাড়াও,  সি এ পিএফ (CAPF) সংস্থাগুলি থেকে সেখানে সদস্যরা ক্রমাগত পৌঁছে যাচ্ছে। এর সাথে, ভারতীয় সেনাবাহিনী গ্রাম প্রতিরক্ষা গার্ড (VDG) সক্রিয় করেছে। পাহাড়ের গুহায় লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী ও পাকিস্তানি সেনাদের নির্মূল করতে অপারেশন সর্প বিনাশ ২.০ শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যা গত ২১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান হতে চলেছে। এই অভিযানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) সরাসরি তত্ত্বাবধানে চলছে এবং এর রিপোর্ট ক্রমাগত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং সেনাপ্রধানের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

 

(The above story first appeared on LatestLY on Jul 29, 2024 11:29 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).