P Chidambaram Granted Bail by Supreme Court: অবশেষে ২ লক্ষের বন্ডে জামিনে মুক্ত পি চিদাম্বরম, কংগ্রেস বলছে সত্যের জয়
পি চিদাম্বরম (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ৩ ডিসেম্বর: অবশেষে স্বস্তি, ১০৫ দিন হেফাজতে কাটিয়ে সুপ্রিম রায়ে (Supreme Court) মুক্তি পেলেন পি চিদাম্বরম (P Chidambaram)। আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় (INX Media Case) প্রথমে সিবিআই ও পরে ইডি প্রবীণ কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করে। সিবিআই এর সদর দপ্তরে কিছুদিন কাটানোর পর তাঁর ঠাই হয় তিহাড় জেলে। পরে ইডি নিজেদের হেফাজতে নিলেও ফের দিল্লি আদালতের নির্দেশে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে তিহাড়েই ফিরতে হয়েছে। গত ২১ আগস্ট নিজোর জোড় বাংলো থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। তারপর এই মিলল মুক্তি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটের INX মিডিয়া মামলায় তাঁর জামিনের আবেদনে সম্মতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি আর ভানুমতী, এএস বোপান্না ও হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ চিদাম্বরমের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

জানা গিয়েছে, ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়েছেন চিদাম্বরম। তবে আদালত জানিয়েছে, সাক্ষীদের প্রভাবিত করা বা প্রমাণ যেন নষ্ট করার চেষ্টা না-করেন কংগ্রেস নেতা। এই মামলা সম্পর্কে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বা জনসমক্ষে কোনও বিবৃতি দিতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতিরা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না-নিয়ে আপাতত দেশ ছাড়তে পারবেন না চিদাম্বরম।এ দিন আদালত বলেছে, 'প্রতি মামলাতেই জামিন না-মঞ্জুর করতে হবে এমন কোনও নিয়ম নেই। অপরাধের গুরুত্বের কথা বলে জামিন খারিজ করে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। তবে মামলার গতিবিধি বুঝে আমরা দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে অসম্মতি জানাচ্ছি।' আরও পড়ুন-Rajnath Singh Security Breach: রাজনাথ সিংয়ের কনভয় থামিয়ে আধার কার্ডের নাম পরিবর্তনের দাবি বৃদ্ধের, রাজধানীতে শোরগোল(দেখুন ভিডিও)

গত ২১ আগাস্ট নাটকীয়বাবে তাঁর বাড়ির পাঁচিল টপকে চিদাম্বরমকে গ্রেপ্তার করেন সিবিআই কর্তারা। বেশ কিছুদিন ধরেই রীতিমতো চোর পুলিশ খেলা চলছিল। সুপ্রিম কোর্টের রক্ষা কবচ শেষ হয়ে যেতেই চিদাম্বরমকে গ্রেপ্তারির সুযোগ খুঁজছিল সিবিআই। পরে সেই মামলায় গত ২২ অক্টোবর নিষ্কৃতি মেলে। তারপর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। এদিন বাবার মুক্তির খবর পেতেই টুইট করেছেন ছেলে কার্তি চিদাম্বরম। কংগ্রেস বলেছে, অবশেষে সত্যের জয় হল। শীর্ষ কংগ্রেস নেতা শশী থারুর এই রায়ের পর বলেছেন, 'দেরিতে হলেও সুবিচার হয়েছে। এটা আরও অনেক আগে হওয়ার কথা ছিল।'