Rahul Gandhi: ‘#ঝুটঝুটঝুট আরএসএস-এর প্রধানমন্ত্রী ভারতমাতাকে মিথ্যে কথা বলছেন’, অসমের ডিটেনশন সেন্টারের ছবির সঙ্গে মোদিকে তুলোধনা রাহুলের
রাহুল গান্ধী ও নরেন্দ্র মোদি (Photo Credits: PTI

নতুন দিল্লি, ২৬ ডিসেম্বর: হ্যাশট্যাগ ‘ঝুট, ঝুট, ঝুট’, ‘‘আরএসএস-এর প্রধানমন্ত্রী ভারতমাতাকে মিথ্যে কথা বলছেন।’’ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি বিরোধী বিক্ষোভ কমাতে রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi) বলেছিলেন দেশে কোথাও ডিটেনশন ক্যাম্প (Detention Centre) তৈরি হয়নি। ‘ঝুট, ঝুট, ঝুট’। পুরোটাই মিথ্যে। কংগ্রেস এবং শহুরে মাওবাদীরা মিথ্যে ও উদ্দেশ্যমূলক ভাবে প্রচার করছে বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এরপরেই তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়ে যায় সমালোচনা। বৃহস্পতিবার টুইট বার্তায় সেই তথাকথিত ‘ঝুট’-কেই আবার খুচিয়ে ঘা করে দিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মোদির রবিবারের ‘ঝুট, ঝুট, ঝুট মন্তব্যের ভিডিও-র সঙ্গে জুড়ে দিলেন অসমের মাটিয়াতে নির্মীয়মাণ ডিটেনশন ক্যাম্পের যাবতীয় তথ্য সম্বলিত ছবি।

এদিনের টুইট পোস্টে, প্রধানমন্ত্রীকে 'মিথ্যুক' বলেও আক্রমণ করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। সঙ্গে পোস্ট করেছেন এক ভিডিয়ো, যেখানে অসমের মাটিয়ায় ফুটবল মাঠের সমান এলাকা জুড়ে ডিটেনশন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। ডিটেনশন সেন্টার নিয়ে প্রচারের জন্য 'বিরোধী ও শহুরে নকশালদের' দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আসল খবর হল,  ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে অসমের গোয়ালপাড়ার এই ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু হয়েছে ২০১৮ সালে। শেষ করার নির্ধারিত সময়সূচি ছিল এ বছরের ডিসেম্বর। কিন্তু বৃষ্টির জন্য প্রায় দু’মাস কাজ বন্ধ থাকায় এবং আরও কিছু কারণে সেই সময়ের মধ্যে তা শেষ করা যাচ্ছে না। ৭০ শতাংশের মতো কাজ শেষ হয়েছে। কাজ শেষ হলে রাখা যাবে মোট ৩০০০ জনকে। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে চারতলা ১৫টি ভবন। তার মধ্যেই মহিলাদের রাখা হবে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আলাদা জায়গায়। এ ছাড়াও ক্যাম্পের ভিতরে গণ শৌচালয়, গণ রান্নাঘর ও খাবারের জায়গা তৈরি হচ্ছে। থাকবে প্রশাসনিক ভবন ও পুলিশ ব্যারাক, শিশুদের জন্য স্কুল ও হাসপাতাল। আরও পড়ুন-Amit Shah On Tukde-Tukde Gang: টুকরে টুকরে গ্যাংকে ডান্ডা মারার সময় এসেছে, দিল্লিতে হুঙ্কার অমিতের (দেখুন ভিডিও)

দিকে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষের পালটা আক্রমণ করেছন BJP নেতা অমিত মালব্য। টুইটার পোস্টে এই নেতা বলেন, “প্রায়ই বিদেশে যান রাহুল গান্ধী। বৈধ ভিসা ছাড়া ওঁকে একবার বিদেশে থাকতে দিন। উনি তখন জানবেন, অন্য দেশে অবৈধ শরণার্থীদের কীভাবে সামলানো হয়।”