নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে পাক কম্যান্ডো ও জঙ্গিদের দল, রুখে দিল ভারতীয় সেনা(দেখুন ভিডিও)
পাক জঙ্গির অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে দিল ভারতীয় সেনা(Photo Credit: ANI)

শ্রীনগর, ১৮ সেপ্টেম্বর: ফের নিয়ন্ত্রণরেখার এপারে জঙ্গি হানায় ব্যর্থ হল পাকিস্তান। কেননা  পাকিস্তানের স্পেশ্যাল সার্ভিস গ্রুপ ও পাক জঙ্গিদের একটা দল সম্প্রতি নিয়্ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল তবে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তা সফল হয়নি। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের হাজিপির এলাকা থেকে এই অনুপ্রবেশের (infiltration) চেষ্টা হয়েছিল। পাকিস্তান বর্ডার অ্যাকশন টিমের নেতৃত্বে, তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঘটনাটি ঘটে চলতি মাসের ১২ ও ১৩ তারিখ নাগাদ। তবে নিয়্ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় ভারতীয় সেনা (Indian Army) শুধু অনু্প্রবেশ রুখে দিয়েছে তাই নয়, গোটা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেছে। সেই ভিডিও ক্লিপ আজই প্রকাশ্যে আনা হল।

ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানের স্পেশ্যাল গ্রুপের কম্যান্ডোরা (SSG) আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার ছুঁড়ছে। মূলত পাক সেনা ব্যাট ও জঙ্গিদের নিয়েই এই কম্যান্ডো গ্রুপ তৈরি করেছে পাকিস্তান। সীমান্ত বরাবর এই গ্রেনেড লঞ্চার ছুঁড়ে ভারতকে ব্যাতিব্যস্ত রাখাই যে পাকিস্তানের উদ্দেশ্য তা বেশ বোঝা যায়। এর আগে এমনই এক অনুপ্রবেশের ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছিল ভারতীয় সেনা। গত ৩ আগস্টে দেখা গিয়েছিল নিয়ন্ত্রণ রেখার এপারে কেরান সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে তার যোগ্য প্রত্যুত্তোর দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই লড়াইয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তান বর্ডার অ্যাকশন টিমের বেশ কয়েকজন কম্যান্ডোর মৃত্যু হয়। চারজন কম্যান্ডোর দেহ ফেলেই ওপারে পালিয়ে যায় গোটা দল। এখনও পর্যন্ত সেই দেহগুলির মালিকানা দাবি করেনি পাকিস্তান। আগস্ট থেকে আজ সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ, এই পর্যন্ত প্রায় ১৫-র বেশি বার নিয়্ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে পাক সেনা ও জঙ্গিরা। এদিকে ভারতে যে জোর করে জঙ্গি ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে তাদের তরফে তা পাকিস্তান বরাবরের মতোই অস্বীকার করেছে। তবে পরিস্ঁক্যান বলছে, চলতি বছরে ২ হাজার ৫০ বার সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গোলাগুলি চালিয়েছে পাকিস্তান। আর এই অযাচিত হামলায় ২১জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেছেন, ভারতীয় সেনার তরফে বার বার পাকিস্তানকে ২০০৩-এর সীমান্ত সংঘর্ষ বিরতি মীমাংসার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান যেন সেই চুক্তি মেনে অন্তত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি সুস্থিতি বজায় রাখে। তবে লাভের লাভ কিছু হয়নি। পাকিস্তান আক্রমণ করে গিয়েছে, আর ভারতীয় সেনা তা বরাবরের মতো প্রতিহত করার চেষ্টা করে চলেছে।