Balasore Student Molestation: ওডিশার বালাসোরের এক কলেজে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ফকির মোহন স্বায়ত্তশাসিত এক কলেজে অধ্যাপক- বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ তুলে গতকাল, শনিবার কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ২০ বছরের এক ছাত্রী। Balasore Self-Immolation Victim-র অভিযোগ ছিল, বারবার বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে বারবার যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেইনি। এই হতাশা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করতে যান। নিজের গায়ে আগুন লাগানো পর সেই তরুণীর দেহের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আরও এক ছাত্রী। তাঁর শরীরে ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। আত্মহত্যা করতে গিয়ে গায়ে পেট্রোল ঢালা তরুণীটি অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় এখন ভূবনেশ্বরের AIMS-এ ভেন্টিলেটরে রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা তাঁর জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। আগুন লাগার পর তাঁকে বালাসোরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
বালাসোরে ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় তোলপাড় দেশ
বালাসোরের কাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় পড়ে যাওয়ার পর তরুণীটিকে দেখতে ভূবনেশ্বরের AIMS-এ এদিন যান ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। নিরপেক্ষ তদন্তের পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ওডিশা সরকার রাজ্যের কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে হেনস্থা, হয়রানি ও ব়্যাগিং বন্ধ বিষয়টিকে সবার আগে গুরুত্ব দেবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি জানান। এদিকে, জাতীয় মহিলা কমিশন এই ঘটনায় দ্রুত ওডিশা সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। অভিযুক্ত অধ্যাপককে অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অত্যন্ত সঙ্কটজনক তরুণীকে দেখতে হাসপাতালে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী
Odisha CM visits AIIMS amid FM College self-immolation outcry, promises stringent action#Odisha #FMCollegeSelfImmolationCasehttps://t.co/4SJuDINaLF
— OTV (@otvnews) July 13, 2025
কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ঘটনা ধামাচাপ দেওয়ার অভিযোগ
ওডিশার কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বালাসোরের সেই কলেজে যৌন হেনস্থার বিষয়টি আগেই কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছিল। সেই সময় কলেজ কর্তপক্ষ অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রদের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাদের অভিযোগ,"অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করা হলেও তাতে ছাত্র প্রতিনিধি রাখা হয়নি, শুধু কলেজের শিক্ষকরা ছিলেন, যাদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযুক্তের সঙ্গে জড়িত বা ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে অভিযোগ।"