শরীর স্লিম করার জন্য অনেকেই বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ নেন বা বিভিন্ন রকম খাবার খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার খাওয়া প্রয়োজন এবং নির্দিষ্ট ডায়েট অনুযায়ী চললে ওজন কমবে। কোন খাবার প্রয়োজন এবং শরীরের সামগ্রিক দিক দেখে চিকিৎসকরা ঠিক করে দেন কোন টাইমে কি কি খাবার খাবেন পরিমাণ কতটা। তবে ঘরোয়া উপায়ে আপনি কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন যার মাধ্যমে শরীর পুষ্ট হবে এবং ওজনও কমবে শরীরের। অর্থাৎ আমি সিল্ম হয়ে যাবেন। দেখে নিন সেই উপায়।
১. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা: খাবারে তাজা সবজি, ফলমূল ও পুরো শস্য যুক্ত করুন। প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকুন।
২. শরীরচর্চা করুন প্রতিদিন হালকা হাঁটা বা যোগব্যায়াম শুরু করতে পারেন ব্যায়াম শুধু চর্বি কমায় না, বরং মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম আমাদের শরীর যখন সঠিকভাবে বিশ্রাম পায়, তখনই হরমোনের সমতা বজায় থাকে এবং বিপাকক্রিয়াও নির্বিঘ্ন চলে। তাই কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।
৪. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (আন্তর্বর্তী উপবাস):
এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাবার গ্রহণ করা হয়, যেমন ১৬ ঘণ্টা উপবাস ও ৮ ঘণ্টা খাওয়ার উইন্ডো। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে এবং শরীরকে জমে থাকা অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ণ করতে সাহায্য করে। অনেকেই এই নিয়মিত সময়সীমার মধ্যেই খাবার গ্রহণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে সফল হয়। তবে, মনে রাখবেন, প্রতিটি মানুষের শারীরিক অবস্থা আলাদা, তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই পন্থাটি গ্রহণ করুন।
৩. পর্যাপ্ত জল পান ও হাইড্রেশন:
প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পরিমাণে জল পান করা শরীরের বিপাকক্রিয়া উন্নত করে। জল শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং খিদে মেটানোর ক্ষেত্রে অপরিহার্য।
৪. বৈচিত্র্যময় শারীরিক কার্যক্রম:
শুধুমাত্র হাঁটা বা যোগব্যায়াম নয়, সাইকেল চালানো, নাচ, সাঁতার, এমনকি গ্রুপ ফিটনেস ক্লাসে যোগ দিয়ে দেখতে পারেন। নতুন নতুন শারীরিক কার্যক্রম আপনার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করবে এবং ব্যায়ামকে বিরক্তিকর থেকে পরিবর্তন করে একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতায় পরিণত করবে।
এই পদ্ধতিগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে কেবল ওজন কমাতে নয়, বরং এক নতুন, সুস্থ এবং ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।