Veg Non Veg Caos In UP (Photo Credit: X@walkeratharv)

উত্তর প্রদেশের গোরখপুরের শাস্ত্রী চকে অবস্থিত জনপ্রিয় বিরিয়ানি বে রেস্তোরাঁয় একটি নিরামিষ বিরিয়ানিতে হাড় পাওয়া গেছে বলে দাবি করা একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিতর্ক শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ক্ষোভের জন্ম দেওয়া এই ঘটনাটি এখন নতুন মোড় নিয়েছে, কারণ রেস্তোরাঁর মালিক সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছেন, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে থালায় হাড় রেখে প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাহানি করার ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা করা হয়েছে।

বিরিয়ানি বে রেস্তোরাঁর ভাইরাল ভিডিওঃ- নিরাম

 সিসিটিভি থেকে জানা যায় ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১শে জুলাই রাতে। সেদিন প্রায় ১২ থেকে ১৩ জনের একটি দল রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেতে আসে। রেস্তোরাঁর কর্মীদের মতে, দলের কিছু সদস্য নিরামিষ খাবারের অর্ডার দিয়েছিলেন, অন্যরা আমিষ খাবার বেছে নিয়েছিলেন। খাবারের সময়, একজন হঠাৎ চিৎকার করতে শুরু করেন, রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নিরামিষ থালিতে হাড় পরিবেশনের অভিযোগ আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে পবিত্র শ্রাবণ মাসে নিরামিষ খাবারে আমিষ খাবার মিশিয়ে রেস্তোরাঁটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।

সিসিটিভি ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা গেছে এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনাঃ

ঘটনা সামনে আসতে অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি দ্রুত বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যায়। রেস্তোরাঁর মালিক রবিকর সিং হস্তক্ষেপ করে গ্রাহকদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ওই দলটির সঙ্গে তর্ক তীব্র হওয়ার মালিক রবিকর সিং পুলিশকে ফোন করে গোটা ঘটনা জানান, এবং  ব্যাখ্যা করেন যে নিরামিষ এবং আমিষ খাবার আলাদাভাবে প্রস্তুত করা হয়। তাই কীভাবে মাত্র এক প্লেটে হাড়টি পাওয়া গেল। তিনি অভিযোগ করেন যে বিল পরিশোধ এড়াতে ওই যুবকদের দল গণ্ডগোল পাকাবার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর, পুলিশ রেস্তোরাঁর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং গোটা দলটিকে রেস্তোরা থেকে বের করে দেয়।

কয়েকদিন পরে সিং জনসমক্ষে ভিডিও ফুটেজটি প্রকাশ করেন। সেখানে দেখা যায় তাঁর দাবি সঠিক। ভিডিওতে দেখা যায় একটি মিথ্যা গল্প তৈরি করার চেষ্টা করে ওই যুবকদের দল। তাঁদের মধ্যে এক ব্যক্তি একটি আমিষ প্লেট থেকে অন্য একজনের কাছে একটি হাড় তুলে দেন, যিনি পরে সেটিকে একটি নিরামিষ প্লেটে রাখেন। এই ফুটেজ থেকে গোটা ঘটনা সামনে আসে। সিং বলেন যে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ওই ঘটনার জন্য পুলিশ অভিযোগ দায়ের করবেন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেবেন। পুলিশ এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।